বাংলাদেশ ১২:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

হরমুজে মার্কিন ‘জলদস্যুতা’: ট্রাম্পের বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:১৩:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
  • / 5

ছবি: ডোনাল্ড ট্রাম্প

Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ ও জ্বালানি তেল জব্দ করার বিষয়টিকে ‘জলদস্যুতা’র সঙ্গে তুলনা করে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (২ মে) এক বিবৃতিতে তিনি অকপটে স্বীকার করেন যে, ওয়াশিংটনের অবরোধ কার্যকর করতে গিয়ে মার্কিন নৌবাহিনী অনেকটা দস্যুদের মতোই জাহাজ ও মালামাল নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে এবং এটি বেশ লাভজনক একটি ব্যবসায় পরিণত হয়েছে।

​ট্রাম্পের মতে, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপকে সম্ভাব্য পারমাণবিক হুমকি থেকে বাঁচাতে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় বি-টু বোমারু বিমান ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষপ না থাকলে ইরান এতোদিনে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করে ফেলত। তবে আলোচনার ক্ষেত্রে তেহরানের অভ্যন্তরীণ নেতৃত্বের অনৈক্য ও বিশৃঙ্খলাকেই বড় বাধা হিসেবে দেখছেন তিনি।

​বর্তমানে পারস্য উপসাগরে মার্কিন নৌ-অবরোধ তৃতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে, যার ফলে বিশ্ব অর্থনীতির লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরানও বিদেশি জাহাজের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এই অবরোধকে ‘অসহনীয়’ বলে বর্ণনা করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

​বিশ্বের মোট জ্বালানির এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। ইতিপূর্বে ইরান পরিস্থিতি শান্ত করতে জাহাজের ওপর টোল আরোপের প্রস্তাব দিলেও ওয়াশিংটন তা প্রত্যাখ্যান করে অবরোধ আরও জোরদার করেছে। ১ মে’র সময়সীমা পার হওয়ার পর দুই পক্ষের অনড় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যকে এক দীর্ঘমেয়াদী সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1
Insaf World Banner 2

হরমুজে মার্কিন ‘জলদস্যুতা’: ট্রাম্পের বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি

আপডেট সময় : ০২:১৩:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ ও জ্বালানি তেল জব্দ করার বিষয়টিকে ‘জলদস্যুতা’র সঙ্গে তুলনা করে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (২ মে) এক বিবৃতিতে তিনি অকপটে স্বীকার করেন যে, ওয়াশিংটনের অবরোধ কার্যকর করতে গিয়ে মার্কিন নৌবাহিনী অনেকটা দস্যুদের মতোই জাহাজ ও মালামাল নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে এবং এটি বেশ লাভজনক একটি ব্যবসায় পরিণত হয়েছে।

​ট্রাম্পের মতে, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপকে সম্ভাব্য পারমাণবিক হুমকি থেকে বাঁচাতে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় বি-টু বোমারু বিমান ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষপ না থাকলে ইরান এতোদিনে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করে ফেলত। তবে আলোচনার ক্ষেত্রে তেহরানের অভ্যন্তরীণ নেতৃত্বের অনৈক্য ও বিশৃঙ্খলাকেই বড় বাধা হিসেবে দেখছেন তিনি।

​বর্তমানে পারস্য উপসাগরে মার্কিন নৌ-অবরোধ তৃতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে, যার ফলে বিশ্ব অর্থনীতির লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরানও বিদেশি জাহাজের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এই অবরোধকে ‘অসহনীয়’ বলে বর্ণনা করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

​বিশ্বের মোট জ্বালানির এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। ইতিপূর্বে ইরান পরিস্থিতি শান্ত করতে জাহাজের ওপর টোল আরোপের প্রস্তাব দিলেও ওয়াশিংটন তা প্রত্যাখ্যান করে অবরোধ আরও জোরদার করেছে। ১ মে’র সময়সীমা পার হওয়ার পর দুই পক্ষের অনড় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যকে এক দীর্ঘমেয়াদী সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :