বাংলাদেশ ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

ইয়াহিয়া সিনওয়ারের মৃত্যু নিশ্চিত করল হামাস

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৪২:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৪
  • / 238
Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হামাসের উপপ্রধান খলিল আল-হাইয়া শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) ইয়াহিয়া সিনওয়ারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। গাজার প্রভাবশালী এই নেতা ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার প্রধান পরিকল্পনাকারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

ইসরায়েলি সূত্র এবং তাদের মিত্রদের মতে, অন্যান্য হামাস নেতা ও কমান্ডারদের হত্যার পর সিনওয়ারের মৃত্যু গোষ্ঠীটির জন্য একটি বিশাল ধাক্কা। ইসরায়েলের তথ্য অনুযায়ী, ওই দিনের হামলায় হামাস ১২০০ জনকে হত্যা করে এবং প্রায় ২৫০ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যায়। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হামাসকে নির্মূল করার অঙ্গীকার করেন। এরপর থেকে গাজায় হামাসের অবস্থান লক্ষ্য করে ইসরায়েল লাগাতার বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

সিনওয়ার হামাসের রাজনৈতিক শাখার সাবেক প্রধান ইসমাইল হানিয়াহর মৃত্যুর পর দলটির সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন। গত ৬ আগস্ট তেহরানে হানিয়াহ হত্যার পর তাকে নতুন নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল একাধিকবার তাকে হত্যার চেষ্টা চালায়, তবে শেষ পর্যন্ত গত ১৭ অক্টোবর এক ইসরায়েলি বিমান হামলায় তিনি নিহত হন।

ইয়াহিয়া সিনওয়ারের জন্ম গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসের একটি শরণার্থী শিবিরে। তার বয়স ছিল ৬২ বছর। ২০১৭ সালে তিনি গাজায় হামাসের নেতা হিসেবে নির্বাচিত হন। সিনওয়ার তার জীবনের অর্ধেক সময় ইসরায়েলের কারাগারে বন্দি অবস্থায় কাটিয়েছেন। ইসমাইল হানিয়াহর মৃত্যুর পর হামাসের বেঁচে থাকা সবচেয়ে শক্তিশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1
ট্যাগস :
insaf-world-ads01 image
Insaf World Banner 2

ইয়াহিয়া সিনওয়ারের মৃত্যু নিশ্চিত করল হামাস

আপডেট সময় : ১০:৪২:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৪

হামাসের উপপ্রধান খলিল আল-হাইয়া শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) ইয়াহিয়া সিনওয়ারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। গাজার প্রভাবশালী এই নেতা ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার প্রধান পরিকল্পনাকারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

ইসরায়েলি সূত্র এবং তাদের মিত্রদের মতে, অন্যান্য হামাস নেতা ও কমান্ডারদের হত্যার পর সিনওয়ারের মৃত্যু গোষ্ঠীটির জন্য একটি বিশাল ধাক্কা। ইসরায়েলের তথ্য অনুযায়ী, ওই দিনের হামলায় হামাস ১২০০ জনকে হত্যা করে এবং প্রায় ২৫০ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যায়। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হামাসকে নির্মূল করার অঙ্গীকার করেন। এরপর থেকে গাজায় হামাসের অবস্থান লক্ষ্য করে ইসরায়েল লাগাতার বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

সিনওয়ার হামাসের রাজনৈতিক শাখার সাবেক প্রধান ইসমাইল হানিয়াহর মৃত্যুর পর দলটির সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন। গত ৬ আগস্ট তেহরানে হানিয়াহ হত্যার পর তাকে নতুন নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল একাধিকবার তাকে হত্যার চেষ্টা চালায়, তবে শেষ পর্যন্ত গত ১৭ অক্টোবর এক ইসরায়েলি বিমান হামলায় তিনি নিহত হন।

ইয়াহিয়া সিনওয়ারের জন্ম গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসের একটি শরণার্থী শিবিরে। তার বয়স ছিল ৬২ বছর। ২০১৭ সালে তিনি গাজায় হামাসের নেতা হিসেবে নির্বাচিত হন। সিনওয়ার তার জীবনের অর্ধেক সময় ইসরায়েলের কারাগারে বন্দি অবস্থায় কাটিয়েছেন। ইসমাইল হানিয়াহর মৃত্যুর পর হামাসের বেঁচে থাকা সবচেয়ে শক্তিশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন :