ঢাকা টু আখাউড়া
বিএনপির তিন সংগঠনের লংমার্চ বুধবার শুরু
- আপডেট সময় : ১১:০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৪
- / 324
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর তিন সহযোগী সংগঠন—যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল—বুধবার (১১ ডিসেম্বর) ঢাকা থেকে আখাউড়া পর্যন্ত লংমার্চ কর্মসূচি আয়োজন করতে যাচ্ছে। ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননা ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধানোর ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
বিএনপির নেতাকর্মীদের মতে, বুধবার সকাল ৮টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে লংমার্চ শুরু হবে। আখাউড়া সীমান্ত পর্যন্ত এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন জেলার নেতাকর্মীরাও অংশ নেবেন। লংমার্চ শেষে আখাউড়ায় একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
সংবাদ সম্মেলন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ
সোমবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় নয়াপল্টনে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে। এর আগে শনিবার রাতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল বৈঠকে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের শীর্ষ নেতারা এই সিদ্ধান্ত নেন।
ভারতীয় হাইকমিশনে স্মারকলিপি প্রদান
রোববার (৮ ডিসেম্বর) সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে একটি প্রতিবাদ পদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। দুপুরে ভারতের ঢাকাস্থ হাইকমিশনে স্মারকলিপি জমা দেন নেতারা। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে বিভিন্ন স্লোগানে রাজপথ মুখরিত করেন।
লংমার্চের প্রস্তুতি ও অংশগ্রহণকারীরা
লংমার্চে অংশগ্রহণকারীরা নয়াপল্টন থেকে গাড়িবহর নিয়ে আখাউড়ার দিকে যাত্রা করবেন। পথে বিভিন্ন জেলার নেতাকর্মীরা তাদের সঙ্গে যোগ দেবেন। আখাউড়ায় সমাবেশে যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্নার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখবেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
প্রতিবাদে অংশগ্রহণকারীদের মনোভাব
কর্মসূচিতে উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে জাতীয় পতাকা ও দলের প্রতীক বহনের পাশাপাশি ভারতবিরোধী স্লোগান দেওয়া হয়। ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’ এবং ‘ভারতের দালালেরা হুঁশিয়ার সাবধান’—এমন স্লোগানগুলো দিয়ে তারা নিজেদের প্রতিবাদ প্রকাশ করেন।
কর্মসূচির মূল লক্ষ্য
ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা এবং জাতীয় পতাকা অবমাননার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানোই এই লংমার্চের মূল লক্ষ্য।














