বাংলাদেশ ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

সংবিধান সংস্কার কমিশন জানালো সংস্কারের পরিধি ও ৭টি উদ্দেশ্য

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:১৫:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর ২০২৪
  • / 194

ছবি: ইনসাফ বিশ্ব

Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সংবিধান সংস্কার কমিশন আজ মঙ্গলবার তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যের মাধ্যমে সংবিধান সংস্কারের পরিধি ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছে। সেখানে সংবিধান সংস্কারের পরিধির বিষয়ে বলা হয়েছে যে, ‘সংস্কার’ বলতে বর্তমান সংবিধানের পর্যালোচনাসহ জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানোর লক্ষ্যে সংবিধানের সামগ্রিক সংশোধন, সংযোজন, বিয়োজন, পরিমার্জন, পুনর্বিন্যাস এবং পুনর্লিখন অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

সাংবিধানিক সংস্কারের ৭টি উদ্দেশ্য

১. সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা: ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রতিশ্রুত উদ্দেশ্যগুলোর আলোকে এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষিতে বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

২. গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা: ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রকাশিত অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জনআকাঙ্ক্ষা পূরণ।

৩. জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ: রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনায় সর্বস্তরে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের ব্যবস্থা।

৪. ফ্যাসিবাদী শাসনের উত্থান রোধ: ভবিষ্যতে যে কোনো ধরনের ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ।

৫. ক্ষমতার ভারসাম্য আনয়ন: নির্বাহী বিভাগ, আইনসভা এবং বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ এবং ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা।

৬. ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও ক্ষমতায়ন: রাষ্ট্র ক্ষমতা এবং প্রতিষ্ঠানের বিকেন্দ্রীকরণ ও পর্যাপ্ত ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা।

৭. প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসন: রাষ্ট্রীয়, সাংবিধানিক এবং আইন দ্বারা সৃষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যকর স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ।

আরে পড়ুন

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1
Insaf World Banner 2

সংবিধান সংস্কার কমিশন জানালো সংস্কারের পরিধি ও ৭টি উদ্দেশ্য

আপডেট সময় : ০৭:১৫:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর ২০২৪

সংবিধান সংস্কার কমিশন আজ মঙ্গলবার তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যের মাধ্যমে সংবিধান সংস্কারের পরিধি ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছে। সেখানে সংবিধান সংস্কারের পরিধির বিষয়ে বলা হয়েছে যে, ‘সংস্কার’ বলতে বর্তমান সংবিধানের পর্যালোচনাসহ জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানোর লক্ষ্যে সংবিধানের সামগ্রিক সংশোধন, সংযোজন, বিয়োজন, পরিমার্জন, পুনর্বিন্যাস এবং পুনর্লিখন অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

সাংবিধানিক সংস্কারের ৭টি উদ্দেশ্য

১. সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা: ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রতিশ্রুত উদ্দেশ্যগুলোর আলোকে এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষিতে বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

২. গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা: ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রকাশিত অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জনআকাঙ্ক্ষা পূরণ।

৩. জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ: রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনায় সর্বস্তরে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের ব্যবস্থা।

৪. ফ্যাসিবাদী শাসনের উত্থান রোধ: ভবিষ্যতে যে কোনো ধরনের ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ।

৫. ক্ষমতার ভারসাম্য আনয়ন: নির্বাহী বিভাগ, আইনসভা এবং বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ এবং ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা।

৬. ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও ক্ষমতায়ন: রাষ্ট্র ক্ষমতা এবং প্রতিষ্ঠানের বিকেন্দ্রীকরণ ও পর্যাপ্ত ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা।

৭. প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসন: রাষ্ট্রীয়, সাংবিধানিক এবং আইন দ্বারা সৃষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যকর স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ।

আরে পড়ুন

সংবাদটি শেয়ার করুন :