বাংলাদেশ ০৪:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক ও কোরআন অবমাননার বিরুদ্ধে কঠোর আইন চায় সংগঠনটি

৫ মে ‘শাপলা চত্বর গণহত্যা দিবস’ ঘোষণার দাবি হেফাজতের

ইনসাফ বিশ্ব ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৮:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
  • / 146

ছবি: ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি হেফাজত ইসলামের সংবাদ সম্মেলন

Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনার দিনটিকে ‘শাপলা চত্বর গণহত্যা দিবস’ হিসেবে ঘোষণার দাবি জানিয়েছে। সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি উত্থাপন করে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়। এর মধ্যে রয়েছে— প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের বিধিমালা বাতিল করে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিধিমালা প্রণয়ন, কোরআন ও ধর্ম অবমাননার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির আইন করা এবং জুলাই সনদে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বর ও ২০২১ সালের মোদিবিরোধী আন্দোলনের নিহতদের স্মরণ অন্তর্ভুক্ত করা।

হেফাজতের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমানের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী।

ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব

সংবাদ সম্মেলনে হেফাজত মহাসচিব বলেন,

> “কোন অভিভাবক তার সন্তানকে নাচ-গান শেখাতে স্কুলে ভর্তি করেন না। মুসলমানদের সন্তানের জন্য ধর্মীয় শিক্ষা অপরিহার্য।”

তিনি কোরআন অবমাননার বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়নের আহ্বান জানান।

হেফাজতের অবস্থান

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মাওলানা মামুনুল হক বলেন, হেফাজতে ইসলাম একটি অরাজনৈতিক ধর্মীয় সংগঠন।
তিনি বলেন,

> “নির্বাচন বা জোট গঠনের সঙ্গে হেফাজতের কোনো সম্পর্ক নেই। আমাদের সদস্যদের কেউ ব্যক্তিগতভাবে রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও সংগঠন তার দায় নেবে না।”

ভোট ও মাজার প্রসঙ্গ

ভোটের সময় হেফাজত ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নিজেদের অবস্থান জানাবে বলে জানান মামুনুল হক।
এছাড়া মাজারে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এসব কার্যকলাপ বন্ধে সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে, তবে হেফাজত আইন নিজের হাতে নেবে না।

উপস্থিত আলেমরা

দোয়া ও মোনাজাতে নেতৃত্ব দেন হেফাজতের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির মুফতি জসিম উদ্দিন, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব, মাওলানা ফজলুল করিম কাসেমী, খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী এবং মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজিসহ সংগঠনের শীর্ষ নেতারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1
Insaf World Banner 2

ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক ও কোরআন অবমাননার বিরুদ্ধে কঠোর আইন চায় সংগঠনটি

৫ মে ‘শাপলা চত্বর গণহত্যা দিবস’ ঘোষণার দাবি হেফাজতের

আপডেট সময় : ০৩:৫৮:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনার দিনটিকে ‘শাপলা চত্বর গণহত্যা দিবস’ হিসেবে ঘোষণার দাবি জানিয়েছে। সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি উত্থাপন করে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়। এর মধ্যে রয়েছে— প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের বিধিমালা বাতিল করে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিধিমালা প্রণয়ন, কোরআন ও ধর্ম অবমাননার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির আইন করা এবং জুলাই সনদে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বর ও ২০২১ সালের মোদিবিরোধী আন্দোলনের নিহতদের স্মরণ অন্তর্ভুক্ত করা।

হেফাজতের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমানের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী।

ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব

সংবাদ সম্মেলনে হেফাজত মহাসচিব বলেন,

> “কোন অভিভাবক তার সন্তানকে নাচ-গান শেখাতে স্কুলে ভর্তি করেন না। মুসলমানদের সন্তানের জন্য ধর্মীয় শিক্ষা অপরিহার্য।”

তিনি কোরআন অবমাননার বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়নের আহ্বান জানান।

হেফাজতের অবস্থান

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মাওলানা মামুনুল হক বলেন, হেফাজতে ইসলাম একটি অরাজনৈতিক ধর্মীয় সংগঠন।
তিনি বলেন,

> “নির্বাচন বা জোট গঠনের সঙ্গে হেফাজতের কোনো সম্পর্ক নেই। আমাদের সদস্যদের কেউ ব্যক্তিগতভাবে রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও সংগঠন তার দায় নেবে না।”

ভোট ও মাজার প্রসঙ্গ

ভোটের সময় হেফাজত ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নিজেদের অবস্থান জানাবে বলে জানান মামুনুল হক।
এছাড়া মাজারে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এসব কার্যকলাপ বন্ধে সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে, তবে হেফাজত আইন নিজের হাতে নেবে না।

উপস্থিত আলেমরা

দোয়া ও মোনাজাতে নেতৃত্ব দেন হেফাজতের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির মুফতি জসিম উদ্দিন, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব, মাওলানা ফজলুল করিম কাসেমী, খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী এবং মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজিসহ সংগঠনের শীর্ষ নেতারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন :