ভিক্টোরিয়ায় বিএনপির ৫০তম বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
- আপডেট সময় : ০৯:০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
- / 82
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান: বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র এবং আইনের শাসনের স্থপতি—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ১৬ নভেম্বর, রবিবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ভিক্টোরিয়া (অস্ট্রেলিয়ার অঙ্গরাজ্য) শাখা কর্তৃক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অর্ধশতবার্ষিকী উপলক্ষে মেলবোর্নের লেভারটন কমিউনিটি হাবে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
ভিক্টোরিয়া বিএনপির আহ্বায়ক আরিফ খানের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আশিক মালিক বিপুলের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জনাব রাশেদুল হক। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক ভূমি উপমন্ত্রী, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাড. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সভাপতি জনাব এ.এফ.এম তাওহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হায়দার আলী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক অমি ফেরদৌস, অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সহ-সভাপতি ড. শাহাবুদ্দিন আহমেদ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম শফিক।
এছাড়া বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভিক্টোরিয়া বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ড. মোঃ কবির হোসেন পাটোয়ারী, খন্দকার হক (মিলন), যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ শরীফ মাহমুদ, তেলাল খান পল, মোঃ ওমর ফারুক, আল আমিন মাসুম খান এবং দেওয়ান মামুন। জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ভিক্টোরিয়া শাখার আহ্বায়ক মোঃ রহমত উল ইসলাম এবং সদস্য সচিব আব্দুল রবও বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নেতৃবৃন্দ অনলাইনে যুক্ত হন।
জনাব রাশেদুল হক তার বক্তব্যে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রথম সোপান হিসেবে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সাহসিক ও দূরদর্শী নেতৃত্বের এক ঐতিহাসিক অধ্যায়।” এছাড়া তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অস্ট্রেলিয়া সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
অ্যাড. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়া জাতিকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলেন—“বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর, সুখী-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, বহুদলীয় গণতন্ত্র ও গ্রামীণ উন্নয়নের নতুন ভিত্তি রচনা করেন।”
অন্যান্য বক্তারা বলেন, বর্তমান সংকটাপন্ন সময়ে রাজনৈতিক অন্তর্দ্বন্দ্ব, দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মুখে ৭ নভেম্বরের চেতনা আবারও জাতীয় ঐক্য ও মুক্তচিন্তার শক্তি জোগায়। জিয়াউর রহমানের গৌরবময় লিগেসি এবং রাষ্ট্রচিন্তা স্মরণ করিয়ে দেয় যে দেশপ্রেম, সাহস এবং জনগণের অধিকার রক্ষার সংগ্রাম কখনো বৃথা যায় না। তাই জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস শুধু একটি তারিখ নয়—এটি গণতন্ত্র, জাতীয় স্বার্থ ও স্বাধীনতার পক্ষে দৃঢ় অবস্থানের এক অবিনশ্বর প্রেরণা।
পরিশেষে, সভার সভাপতি আরিফ খান তার বক্তব্যে প্রবাসীদের প্রথম ভোট ধানের শীষের পক্ষে হোক—এই স্লোগান সামনে রেখে প্রবাসীরা কীভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সে বিষয়ে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম প্রবাসীদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি অনুষ্ঠানকে সফল করতে যারা অবদান রেখেছেন তাদের সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।















