জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ঐতিহাসিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সম্পন্ন
আগামী বুধবার সই হচ্ছে জুলাই সনদ
- আপডেট সময় : ১২:৩০:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫
- / 147
আগামী বুধবার দুপুর ৩টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান। রাষ্ট্রীয় সংস্কারের মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত এ ঐতিহাসিক আয়োজনে নেতৃত্ব দেবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের প্রতিনিধিরা এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বলে জানিয়েছে ঐকমত্য কমিশন।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঐকমত্য কমিশনের সভায়
গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে কমিশনের বৈঠকে জুলাই সনদ স্বাক্ষরের দিন নির্ধারিত হয়। সভায় বিশেষজ্ঞদের মতামত ও রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তাব বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান ও ড. মো. আইয়ুব মিয়া।
ঐকমত্যের ভিত্তিতে রাষ্ট্রীয় সংস্কারের রূপরেখা
জুলাই সনদ তৈরি করা হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে। যদিও সনদ বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে কিছু মতানৈক্য রয়ে গেছে, কমিশন আশাবাদী—দলগুলোর প্রস্তাব বিশ্লেষণ শেষে চূড়ান্ত সুপারিশ দ্রুত সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশনের অভিমত
নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন,
“একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজন করা হলে ব্যয় সাশ্রয় হবে এবং সময়ও বাঁচবে।”
তিনি আরও জানান, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের সময়সূচির ওপর গণভোটের কোনো প্রভাব পড়বে না।
ঐতিহাসিক আয়োজনে আড়ম্বর প্রস্তুতি
প্রথমে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠান করার পরিকল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শে সংসদের দক্ষিণ প্লাজা বেছে নেওয়া হয়।
কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সংলাপে অংশ নেওয়া ৩০টি রাজনৈতিক দল ও জোট থেকে দুজন করে প্রতিনিধি আমন্ত্রণ পাচ্ছেন। এছাড়া বড় দলগুলোর (বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি) ৩০ জন করে নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হবে।
শনিবার আবার বৈঠক
স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের চূড়ান্ত প্রস্তুতি ও আমন্ত্রণ তালিকা নির্ধারণে শনিবার আবার বৈঠকে বসবে ঐকমত্য কমিশন।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেন,
“দলগুলো ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে। আমরা চাই এই ঐতিহাসিক দিনটি যেন জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হয়ে ওঠে।”


















