বাংলাদেশ ০৩:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

গুলিবিদ্ধ পা নিয়েই সংগ্রামী জীবনযাপন করছেন কিশোর হাশেম

স্টাফ রিপোর্টার ইনসাফ বিশ্ব
  • আপডেট সময় : ১১:১৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৪
  • / 311

ছবি: গুলিবিদ্ধ আবুল হাশেম, সংগৃহীত

Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার সিংদই গ্রামের ১৬ বছরের কিশোর আবুল হাশেম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে ডান পায়ে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন তিনি। অর্থাভাবে দরিদ্র পরিবারটি তার চিকিৎসা করাতে পারছে না, যার ফলে আহত পা নিয়ে এখন তাকে দোকান কর্মচারী হিসেবে কাজ করে পরিবারের ভারসাম্য বজায় রাখতে হচ্ছে।

হাশেমের জীবন পাল্টে যায় ২০ জুলাই, যখন গাজীপুরের সাইনবোর্ড এলাকায় তার ফুফাতো ভাই হুমায়ুন কবিরের দোকানে ছিলেন তিনি। ওই দিন প্রধান সড়কে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিল চলাকালে পুলিশ সদস্যরা মিছিলে ধাওয়া করে। আতঙ্কিত হাশেম তার ফুফাতো ভাইয়ের দোকানের শাটার নামিয়ে লুকিয়ে থাকলেও পুলিশ শাটার উঠিয়ে তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়’ গুলিবিদ্ধ হন এ হাশেম ডান পায়ে ন ঘটনাস্থলে মারা যান।

হাশেমের বাবা আবদুল হালিম জানান, ধারদেনা করে ৪০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে ছেলের চিকিৎসা করানোর চেষ্টা করলেও তা সম্পূর্ণ হয়নি। চিকিৎসকদের মতে, পায়ে রয়ে যাওয়া ছররা গুলি অপসারণে কয়েকটি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন, যা তার শরীর নিতে পারবে না। এই কারণে হাশেমের পায়ে যন্ত্রণা অব্যাহত আছে।

গুরুতর আহত পা নিয়েও হাশেম এখন আবার দোকানে কাজ করছেন। তার ফুফাতো ভাই হুমায়ুনের অনুপস্থিতিতে বড় ভাই হজরত আলী দোকানটি দেখভাল করছেন, আর হাশেম বসে বসে দোকানের কাজ সামলাচ্ছে। শারীরিক কষ্ট সহ্য করেও সংসারের জন্য তার এ সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হচ্ছে।

হাশেমের বাবা তার ছেলের জন্য সরকারিভাবে সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।

আরো পড়ুন

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1
Insaf World Banner 2

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

গুলিবিদ্ধ পা নিয়েই সংগ্রামী জীবনযাপন করছেন কিশোর হাশেম

আপডেট সময় : ১১:১৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৪

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার সিংদই গ্রামের ১৬ বছরের কিশোর আবুল হাশেম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে ডান পায়ে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন তিনি। অর্থাভাবে দরিদ্র পরিবারটি তার চিকিৎসা করাতে পারছে না, যার ফলে আহত পা নিয়ে এখন তাকে দোকান কর্মচারী হিসেবে কাজ করে পরিবারের ভারসাম্য বজায় রাখতে হচ্ছে।

হাশেমের জীবন পাল্টে যায় ২০ জুলাই, যখন গাজীপুরের সাইনবোর্ড এলাকায় তার ফুফাতো ভাই হুমায়ুন কবিরের দোকানে ছিলেন তিনি। ওই দিন প্রধান সড়কে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিল চলাকালে পুলিশ সদস্যরা মিছিলে ধাওয়া করে। আতঙ্কিত হাশেম তার ফুফাতো ভাইয়ের দোকানের শাটার নামিয়ে লুকিয়ে থাকলেও পুলিশ শাটার উঠিয়ে তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়’ গুলিবিদ্ধ হন এ হাশেম ডান পায়ে ন ঘটনাস্থলে মারা যান।

হাশেমের বাবা আবদুল হালিম জানান, ধারদেনা করে ৪০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে ছেলের চিকিৎসা করানোর চেষ্টা করলেও তা সম্পূর্ণ হয়নি। চিকিৎসকদের মতে, পায়ে রয়ে যাওয়া ছররা গুলি অপসারণে কয়েকটি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন, যা তার শরীর নিতে পারবে না। এই কারণে হাশেমের পায়ে যন্ত্রণা অব্যাহত আছে।

গুরুতর আহত পা নিয়েও হাশেম এখন আবার দোকানে কাজ করছেন। তার ফুফাতো ভাই হুমায়ুনের অনুপস্থিতিতে বড় ভাই হজরত আলী দোকানটি দেখভাল করছেন, আর হাশেম বসে বসে দোকানের কাজ সামলাচ্ছে। শারীরিক কষ্ট সহ্য করেও সংসারের জন্য তার এ সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হচ্ছে।

হাশেমের বাবা তার ছেলের জন্য সরকারিভাবে সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।

আরো পড়ুন

সংবাদটি শেয়ার করুন :