বাংলাদেশ ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

এক নিমিষেই ছাই হবে ইরান?

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৪৫:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 43

ছবি: ডোনাল্ড ট্রাম্প

Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানকে সরাসরি সামরিক ধ্বংসযজ্ঞের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ট্রাম্প দাবি করেছেন, মার্কিন সামরিক শক্তি ব্যবহার করে মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ইরানকে পুরোপুরি স্তব্ধ করে দেওয়া সম্ভব।

​প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মূল লক্ষ্যবস্তু দেশটির জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, চাইলে একদিনের মধ্যেই ইরানের সমস্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং জ্বালানি অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। মূলত দেশটির অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার লক্ষ্যেই এমন কঠোর মনোভাব ব্যক্ত করেছেন তিনি।

​বিশ্ব বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট ‘হরমুজ প্রণালী’ নিয়েও নিজের অনড় অবস্থানের কথা জানান ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, এই জলপথ দিয়ে কোন জাহাজ চলবে আর কোনটি চলবে না, তা নির্ধারণ করার কোনো অধিকার ইরানের নেই। ট্রাম্পের ভাষায়, “হয় সব জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হবে, নাহলে কারো জন্যই কোনো পথ খোলা থাকবে না।”

​এই পরিকল্পিত অবরোধকে ভেনেজুয়েলার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার চেয়েও বড় পরিসরের বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। ট্রাম্প মনে করেন, এর ফলে বিশ্বের তেল বাজার যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আসবে। পাকিস্তানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার কূটনৈতিক আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরই এমন যুদ্ধংদেহী মন্তব্য সামনে এলো, যা মধ্যপ্রাচ্যকে এক ভয়াবহ সংঘাতের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1
Insaf World Banner 2

এক নিমিষেই ছাই হবে ইরান?

আপডেট সময় : ১১:৪৫:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানকে সরাসরি সামরিক ধ্বংসযজ্ঞের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ট্রাম্প দাবি করেছেন, মার্কিন সামরিক শক্তি ব্যবহার করে মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ইরানকে পুরোপুরি স্তব্ধ করে দেওয়া সম্ভব।

​প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মূল লক্ষ্যবস্তু দেশটির জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, চাইলে একদিনের মধ্যেই ইরানের সমস্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং জ্বালানি অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। মূলত দেশটির অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার লক্ষ্যেই এমন কঠোর মনোভাব ব্যক্ত করেছেন তিনি।

​বিশ্ব বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট ‘হরমুজ প্রণালী’ নিয়েও নিজের অনড় অবস্থানের কথা জানান ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, এই জলপথ দিয়ে কোন জাহাজ চলবে আর কোনটি চলবে না, তা নির্ধারণ করার কোনো অধিকার ইরানের নেই। ট্রাম্পের ভাষায়, “হয় সব জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হবে, নাহলে কারো জন্যই কোনো পথ খোলা থাকবে না।”

​এই পরিকল্পিত অবরোধকে ভেনেজুয়েলার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার চেয়েও বড় পরিসরের বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। ট্রাম্প মনে করেন, এর ফলে বিশ্বের তেল বাজার যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আসবে। পাকিস্তানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার কূটনৈতিক আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরই এমন যুদ্ধংদেহী মন্তব্য সামনে এলো, যা মধ্যপ্রাচ্যকে এক ভয়াবহ সংঘাতের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :