তারেক রহমানের ‘কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ
- আপডেট সময় : ০৯:৫৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬
- / 13
সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকার মাধ্যমে একটি ‘কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’ গড়ে তোলা সম্ভব বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসের জিয়া কলোনিতে সেনাবাহিনীর ‘মৃত্যুঞ্জয়ী পঁচিশ’ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট আয়োজিত ঈদুল আযহার এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন। অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
সেনাবাহিনীর অফিসার ও সৈনিকদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তাঁর শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করেন। তিনি বলেন, সেনানিবাসে প্রবেশের সময় তাঁর মনে হয়েছে তিনি ৪৫-৪৬ বছর আগের অতীতে ফিরে গেছেন। ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৭ সালের সিএমএইচ হাসপাতালের অবয়ব, স্টাফ সার্জন মেজর আনোয়ারের কথা এবং শহীদ মইনুল সড়কের বাসা থেকে বন্ধুদের সাথে সাইকেল নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর স্মৃতি আজো তাঁর মনে উজ্জ্বল। জীবনের এক বিশাল অংশ এই এলাকায় কেটেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানকার প্রতিটি ধূলিকণার সাথে তাঁর সুখ-দুঃখের স্মৃতি মিশে আছে।
দেশ গঠনে সবার প্রতি আহ্বান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ ও সৈনিকেরা দেশকে যেভাবে দেখতে চায়, সরকার পর্যায়ক্রমে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করছে। দীর্ঘ বছর দেশে থাকতে না পারার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, অতীতে কী ভালো-মন্দ হয়েছে তা সবার জানা, তবে এখন লক্ষ্য দেশকে একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যাওয়া। তিনি মনে করিয়ে দেন, দেশ গঠনে সবারই নির্দিষ্ট কর্তব্য রয়েছে এবং যার যার অবস্থান থেকে তা সঠিকভাবে পালন করলে লক্ষ্য অর্জন অসম্ভব নয়।
ঈদের এই আনন্দের দিনে তিনি দেশ ও মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আল্লাহর রহমত ও তৌফিক কামনা করেন। প্রীতিভোজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রী ‘পঁচিশ মৃত্যুঞ্জয়ী’ ভবনের সামনে একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
সেনা সদস্যদের ত্যাগের প্রশংসা
ঈদের দিনেও দেশের প্রয়োজনে পরিবার ছেড়ে দায়িত্ব পালন করায় সেনা সদস্যদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জাতি এই আত্মত্যাগকে সবসময় কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করবে। সাম্প্রতিক সময়ে দুটি পত্রিকা অফিসে আগুন লাগার ঘটনার পর সেখান থেকে ১৮ জন সাংবাদিককে উদ্ধার করার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি একে সাফল্যের মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন।
তিনি আশ্বস্ত করেন, সেনা সদস্যদের কল্যাণ ও যাবতীয় সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে সরকার সম্পূর্ণ অবগত। পরিশেষে তিনি বলেন, দেশের মানুষ যাতে নিরাপদ বাসস্থান, উন্নত শিক্ষা এবং সুচিকিৎসা পায়, সরকার সেই লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।





















