ট্রাম্পের প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি মিত্ররা
- আপডেট সময় : ০৭:০৬:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
- / 2
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ অবসানের শর্ত হিসেবে কয়েকটি আরব ও মুসলিম দেশকে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আহ্বান জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ লক্ষ্যে দেশগুলোকে বিতর্কিত ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’ চুক্তিতে স্বাক্ষর করার জন্য জোর তাগিদ দেন তিনি। তবে ট্রাম্পের এই শেষ মুহূর্তের আকস্মিক ও ব্যতিক্রমী প্রস্তাবে তাঁর মিত্রদেশগুলোর কাছ থেকে তেমন কোনো সাড়াশব্দ মেলেনি।
আঞ্চলিক বিশ্লেষক ও কূটনীতিকদের মতে, ট্রাম্পের এই দাবিটি ছিল সম্পূর্ণ অবাস্তব ও আকস্মিক। কার্নেগি এনডাউমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের সিনিয়র ফেলো অ্যারন ডেভিড মিলার বিষয়টিকে একটি ‘বিভ্রান্তিমূলক কৌশল’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। সাবেক পাকিস্তানি কূটনীতিক আসিফ দুররানিও সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক জোড়া লাগাতে গেলে আরব দেশগুলোর রাজনৈতিক ঝুঁকি ও আঞ্চলিক বিভেদ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
চাপের মুখেও অনড় অবস্থানে আরব বিশ্ব
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান এবং ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংঘাতের জেরে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, জর্ডান ও বাহরাইনের মতো দেশগুলো অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সংকটের মুখে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প সোমবার এক পোস্টে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশের কাছে এই পারস্পরিক লেনদেনের প্রস্তাব দেন। তবে গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি আগ্রাসনের কারণে পুরো মুসলিম বিশ্বে তেল আবিবের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
ট্রাম্পের তালিকায় থাকা এবং ইসরাইলের সাথে সম্পর্কহীন তিনটি দেশ সাফ জানিয়েছে, তারা এই চুক্তিকে ইরান যুদ্ধ থেকে সম্পূর্ণ আলাদাভাবে দেখে। সৌদি আরব ও কাতার স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরেই কেবল তারা ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনা করবে। মধ্যপ্রাচ্যের এক কর্মকর্তার মতে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই তাদের কাছে মূল শর্ত, তাই ওয়াশিংটনের কোনো চাপ তারা অনুভব করছেন না।



















