বাংলাদেশ ০৩:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

ঘোড়াঘাটে সংবাদকর্মীকে গালাগাল, শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

ফাহিম হোসেন রিজু ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৩:১৫:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • / 87

ছবি: অভিযুক্ত শিক্ষক

Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে এক সাংবাদিককে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল ও অপমান করার অভিযোগ উঠেছে সৈয়দ তৌহিদুল ইসলাম মিথুন নামের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শিক্ষক উপজেলার রানীগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সাংবাদিক ফাহিম হোসেন রিজু ওই বিদ্যালয়ে একটি সংবাদ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহে গেলে শিক্ষক তৌহিদুল ইসলাম মিথুন অশালীন আচরণ করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সাংবাদিক ফাহিম হোসেন রিজু বলেন, “আমি বিদ্যালয়ে তথ্য নিতে গিয়েছিলাম। কিন্তু কোনো কারণ ছাড়াই শিক্ষক আমাকে লক্ষ্য করে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করতে থাকেন। এতে আমি অত্যন্ত অপমানিত হই।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক সৈয়দ তৌহিদুল ইসলামের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তিনি মন্তব্য দিতে রাজি হননি।

উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার ধীরাজ সরকার জানান, “বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ও সচেতন মহল তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, একজন শিক্ষক হয়ে এমন আচরণ শিক্ষাঙ্গনের মর্যাদার পরিপন্থী। তারা দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1
Insaf World Banner 2

ঘোড়াঘাটে সংবাদকর্মীকে গালাগাল, শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:১৫:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে এক সাংবাদিককে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল ও অপমান করার অভিযোগ উঠেছে সৈয়দ তৌহিদুল ইসলাম মিথুন নামের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শিক্ষক উপজেলার রানীগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সাংবাদিক ফাহিম হোসেন রিজু ওই বিদ্যালয়ে একটি সংবাদ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহে গেলে শিক্ষক তৌহিদুল ইসলাম মিথুন অশালীন আচরণ করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সাংবাদিক ফাহিম হোসেন রিজু বলেন, “আমি বিদ্যালয়ে তথ্য নিতে গিয়েছিলাম। কিন্তু কোনো কারণ ছাড়াই শিক্ষক আমাকে লক্ষ্য করে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করতে থাকেন। এতে আমি অত্যন্ত অপমানিত হই।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক সৈয়দ তৌহিদুল ইসলামের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তিনি মন্তব্য দিতে রাজি হননি।

উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার ধীরাজ সরকার জানান, “বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ও সচেতন মহল তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, একজন শিক্ষক হয়ে এমন আচরণ শিক্ষাঙ্গনের মর্যাদার পরিপন্থী। তারা দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন :