মাটির নিচে নিরাপদ আশ্রয়: প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের রহস্য
- আপডেট সময় : ০৫:২১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
- / 29
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য তৈরি হতে যাচ্ছে এক অভেদ্য দুর্গ। আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে নির্মিতব্য এই নতুন বাসভবনে যুক্ত হচ্ছে অভাবনীয় সব নিরাপত্তা ব্যবস্থা। গণপূর্ত বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এই প্রকল্পের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও রহস্যময় অংশ হলো মাটির নিচে নির্মিতব্য অত্যাধুনিক বাংকার এবং গোপন টানেল বা সুড়ঙ্গ। মূলত বহিঃশত্রুর আক্রমণ এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ পরিকল্পনা।
গণভবন থেকে নতুন ঠিকানার খোঁজে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ‘গণভবন’ বর্তমানে স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়েছে। অন্যদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা যমুনায় অবস্থান করলেও নতুন সরকারের প্রধান হিসেবে তারেক রহমান বর্তমানে তার গুলশানের বাসভবন থেকেই দাপ্তরিক কাজ সারছেন। যমুনাকে মূলত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের জন্য ব্যবহারের পরিকল্পনা থাকায় প্রধানমন্ত্রীর স্থায়ী ঠিকানার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
সম্ভাব্য এলাকা ও পরিকল্পনা
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে মিন্টো রোড, হেয়ার রোড অথবা বেইলী রোডের আশপাশে জায়গা নির্বাচনের কাজ শুরু করেছে। সচিবালয় এবং সংসদ ভবনের সাথে দ্রুত যোগাযোগের সুবিধার্থে এই এলাকাগুলোকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। নকশা তৈরির ক্ষেত্রে উন্নত বিশ্বের সরকারপ্রধানদের বাসভবনের আদল অনুসরণ করা হচ্ছে। ৫-৬টি সরকারি ভবন অধিগ্রহণ করে একটি বৃহৎ পরিসরে এই কমপ্লেক্স নির্মাণের কথা ভাবছে কর্তৃপক্ষ।
নিরাপত্তা যখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার
প্রধান প্রকৌশলীর তথ্যমতে, আধুনিক সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি এখানে থাকছে বোমারু হামলা প্রতিরোধী ব্যবস্থা। মাটির নিচে বাংকার এমনভাবে তৈরি করা হবে যেন যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম সচল রাখা যায়। জায়গা চূড়ান্ত হওয়ার পর খুব শীঘ্রই নকশা মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য জমা দেওয়া হবে।

























