জুলাই সনদের ভিত্তিতে নির্বাচনসহ পাঁচ থেকে সাত দফা দাবিতে রাজধানী ও বিভাগীয় শহরে কর্মসূচি
জামায়াতসহ ৭ দলের অভিন্ন গণ-মিছিল শুক্রবার
- আপডেট সময় : ১১:৪৪:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
- / 92
আগামীকাল শুক্রবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সব বিভাগীয় শহরে একযোগে অভিন্ন গণ-মিছিল আয়োজন করতে যাচ্ছে দেশের সাতটি ইসলামপন্থি দল। জুলাই সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দাবিতে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও নেজামে ইসলাম পার্টি—এই সাত দল যৌথভাবে গণ-মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের পর ও বিকেলে ঢাকাসহ সব বিভাগীয় শহরে গণ-মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। ৫ দফা দাবির অংশ হিসেবে রাজধানীতে বেলা ১টা ৪৫ মিনিটে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে মিছিল শুরু হবে। নেতৃত্ব দেবেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি জানান, কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ১২ অক্টোবর সব জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। বিকেল তিনটায় ভাটারা নতুন বাজার এলাকায়ও একটি গণ-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রধান অতিথি থাকবেন মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির মোহাম্মাদ সেলিম উদ্দিন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশও একই সময় ও স্থানে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে মিছিল বের করবে। এতে নেতৃত্ব দেবেন দলের মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদ।
খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসও বাদ জুমা একই এলাকায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে। বায়তুল মোকাররমের ওভারব্রিজের নিচে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হবে।
অন্যদিকে, বিকেল চারটায় খেলাফত আন্দোলন সাত দফা দাবিতে গণ-মিছিল করবে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে। বিকেল তিনটায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নেজামে ইসলাম পার্টির মিছিল অনুষ্ঠিত হবে, আর একই সময়ে বিজয়নগর থেকে জাগপার মিছিল শুরু হবে।
দলগুলোর দাবির মধ্যে রয়েছে—গণহত্যার বিচার, নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি, আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (PR) পদ্ধতি চালু, ফ্যাসিবাদী শক্তি ও তাদের দোসরদের নিষিদ্ধকরণ, এবং প্রাথমিক পর্যায়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করা।
এই অভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দলগুলো সরকার ও নির্বাচন কমিশনের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চায়, যাতে আগামী জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক হয়।















