স্বল্প সময়ের সুযোগে তাজহাট জমিদার বাড়ী ভ্রমণ
- আপডেট সময় : ১১:০০:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫
- / 186
(৩১ অক্টোবর ২০২৫) সাফল্য সাহিত্য সংস্কৃতি পরিবার বাংলাদেশ-এর আয়োজনে এনবি কমিউনিটি সেন্টার, তাজহাট, রংপুরে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিষ্ঠার দশম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বার্ষিক কবি-লেখক মিলনমেলা ও পাঠক সমাবেশ।
সেই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সুবাদে মন চাইল কাছেই অবস্থিত তাজহাট জমিদার বাড়ী ঘুরে দেখার। অপেক্ষা দানা বাঁধল সুযোগের, আর অবশেষে মিললও সেই সুযোগ।
দুই বন্ধু মিলে রওনা দিলাম তাজহাট জমিদার বাড়ীর উদ্দেশ্যে। যেতেই কৌতূহল জাগল এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি সম্পর্কে জানার। গুগলে সার্চ করে স্বল্প সময়ে জেনেছি, তাজহাট জমিদার বাড়ীর ইতিহাস প্রধানত এর প্রতিষ্ঠাতা মহারাজা কুমার গোপাল লাল রায়ের সঙ্গে জড়িত।
তিনি বিংশ শতাব্দীর শুরুতে এটি নির্মাণ শুরু করেন, যা সম্পূর্ণ হতে প্রায় দশ বছর সময় লাগে। কিংবদন্তি অনুসারে, এই অঞ্চলের নাম ‘তাজহাট’ এসেছে মহারাজা গোপাল লাল রায়ের ব্যবহৃত মনোমুগ্ধকর তাজ বা মুকুটের নাম থেকে।
এই প্রাসাদটি রংপুর শহর থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত। সেখানে আমরা জমিদার বাড়ীর জাদুঘরসহ চারপাশ ঘুরে দেখেছি।
তাজহাট জমিদার বাড়ীর মনোমুগ্ধকর স্থাপত্যশৈলী, জমিদারদের ব্যবহৃত নানা সামগ্রী ও প্রত্নসম্পদ, চারপাশের সবুজ গাছপালা ও পুকুরগুলোর সৌন্দর্য আমাদের মুগ্ধ করেছে।
সেখানে অনেকের সঙ্গে দেখা, কথা বলা ও কিছু ছবি তুলে স্মৃতিতে ধরে রেখেছি। সত্যিই এটি ছিল এক আনন্দময় অভিজ্ঞতা।
তাজহাট জমিদার বাড়ীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে কিছু ছোটখাটো প্রতিষ্ঠান, সৃষ্টি হয়েছে কর্মসংস্থান এবং বিকল্প আয়ের পথ। একদিকে যেমন দেশ-বিদেশে বাড়ছে পরিচিতি, তেমনি বাড়ছে রাজস্ব আয়।
আমরা তাজহাট জমিদার বাড়ী, রংপুরের সমৃদ্ধি, সফলতা ও আরও উন্নতি কামনা করছি।



















