বাংলাদেশ ০৫:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

ধর্ষণ মামলায় খালাস পেলেন হেফাজতের নেতা মামুনুল হক

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৭:১৬:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৪
  • / 234
Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
সংবাদটি শেয়ার করুন :

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে দায়ের করা আলোচিত ধর্ষণ মামলায় বেকসুর খালাস পেয়েছেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক। গত বৃহস্পতিবার সকালে তার উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন নারায়ণগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেসমিন আরা বেগম। মামলার আইনজীবী ওমর ফারুক নয়ন জানান, মামলার বাদী জান্নাত আরা ঝর্ণাসহ ৪০ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।

Insaf World Banner 1

রায়ের পর মামুনুল হক প্রতিক্রিয়ায় জানান, এই রায়ের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রকৃত সত্য প্রকাশ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা আমার চরিত্র হনন করতে চেয়েছিলেন এবং আমার পরিবারকে ধ্বংসের চেষ্টা করেছিলেন। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। আমি বর্তমান বিচার ব্যবস্থায় সন্তুষ্ট।”

মামুনুল হকের আইনজীবীর মতে, এ রায় দেশের আলেম সমাজকে কলঙ্কমুক্ত করেছে এবং ষড়যন্ত্রের সমাপ্তি ঘটিয়েছে।

Insaf World Banner 2

মামলার পটভূমি

২০২১ সালের ৩ এপ্রিল সোনারগাঁওয়ের রয়েল রিসোর্টে মামুনুল হককে অবরুদ্ধ করে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময়, হেফাজত ও মাদ্রাসার ছাত্ররা রিসোর্টে হামলা চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে। ঘটনার ১৫ দিন পর, ১৮ এপ্রিল, পুলিশ মামুনুল হককে মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে গ্রেপ্তার করে।

এরপর, ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁও থানায় হাজির হয়ে জান্নাত আরা ঝর্ণা নামে এক নারী মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর মামুনুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ৩ নভেম্বর মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে গিয়ে অভিযোগ গঠন করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1

ধর্ষণ মামলায় খালাস পেলেন হেফাজতের নেতা মামুনুল হক

আপডেট সময় : ০৭:১৬:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৪
সংবাদটি শেয়ার করুন :

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে দায়ের করা আলোচিত ধর্ষণ মামলায় বেকসুর খালাস পেয়েছেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক। গত বৃহস্পতিবার সকালে তার উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন নারায়ণগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেসমিন আরা বেগম। মামলার আইনজীবী ওমর ফারুক নয়ন জানান, মামলার বাদী জান্নাত আরা ঝর্ণাসহ ৪০ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।

Insaf World Banner 1

রায়ের পর মামুনুল হক প্রতিক্রিয়ায় জানান, এই রায়ের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রকৃত সত্য প্রকাশ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা আমার চরিত্র হনন করতে চেয়েছিলেন এবং আমার পরিবারকে ধ্বংসের চেষ্টা করেছিলেন। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। আমি বর্তমান বিচার ব্যবস্থায় সন্তুষ্ট।”

মামুনুল হকের আইনজীবীর মতে, এ রায় দেশের আলেম সমাজকে কলঙ্কমুক্ত করেছে এবং ষড়যন্ত্রের সমাপ্তি ঘটিয়েছে।

Insaf World Banner 2

মামলার পটভূমি

২০২১ সালের ৩ এপ্রিল সোনারগাঁওয়ের রয়েল রিসোর্টে মামুনুল হককে অবরুদ্ধ করে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময়, হেফাজত ও মাদ্রাসার ছাত্ররা রিসোর্টে হামলা চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে। ঘটনার ১৫ দিন পর, ১৮ এপ্রিল, পুলিশ মামুনুল হককে মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে গ্রেপ্তার করে।

এরপর, ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁও থানায় হাজির হয়ে জান্নাত আরা ঝর্ণা নামে এক নারী মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর মামুনুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ৩ নভেম্বর মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে গিয়ে অভিযোগ গঠন করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন :