বাংলাদেশ ০৭:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

রাষ্ট্র ও সমাজে বৈষম্য দূরীকরণে ইসলামের ভূমিকা অপরিহার্য

ইমরান হোসেন, সম্পাদক, ইনসাফ বিশ্ব
  • আপডেট সময় : ১২:০৫:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৪
  • / 615

ছবি: সম্পাদকীয় ইনসাফ বিশ্ব

Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
সংবাদটি শেয়ার করুন :

একটি সর্বজনীন জীবনব্যবস্থা, যা মানুষকে সকল ধরনের বৈষম্য ও অসাম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করতে প্রেরণা দেয়। ইসলামের মূলমন্ত্র হলো সাম্য, ন্যায়বিচার, এবং মানবতার কল্যাণ। মানব সমাজে যারা বঞ্চিত ও নিপীড়িত, তাদের জন্য ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত। সমাজ ও রাষ্ট্রের বৈষম্য দূরীকরণে ইসলাম একটি শক্তিশালী ও কার্যকরী মাধ্যম হতে পারে, যা মানবতার সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই সম্পাদকীয়তে রাষ্ট্র ও সমাজের বৈষম্য দূরীকরণে ইসলামের অনন্য ভূমিকা বিশ্লেষণ করা হবে।

Insaf World Banner 1

ইসলাম এমন এক জীবনব্যবস্থা যা মানুষকে বর্ণ, জাতি, শ্রেণি, ধর্ম, এবং ভাষার ভিত্তিতে কোনো প্রকার বৈষম্য করার অধিকার দেয় না। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বিদায় হজের ভাষণে বলেছেন, “সব মানুষ সমান, আরবের ওপর অনারবের এবং অনারবের ওপর আরবের কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই, আল্লাহর কাছে তাকওয়ার ভিত্তিতেই মানুষের মর্যাদা নির্ধারণ হয়।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে ইসলাম স্পষ্টভাবে সকল প্রকার বর্ণবাদ, শ্রেণিবৈষম্য ও ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়।

ইসলামের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত কার্যকরী। ইসলামের মূলনীতি হলো ধনীদের সম্পদের একটি অংশ গরিবদের মধ্যে বণ্টন করা। এই ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হয় যাকাতের মাধ্যমে, যা ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি। যাকাত ধনীদের জন্য একটি বাধ্যতামূলক কর যা গরিব, অসহায়, এবং নিপীড়িতদের মাঝে বিতরণ করা হয়। এটি কেবল দারিদ্র্য দূরীকরণ নয়, বরং সামাজিক সমতা প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান মাধ্যম।

Insaf World Banner 2

ইসলামের এই অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি আজকের সমাজে আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যেখানে ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে বৈষম্য ক্রমশ বাড়ছে। ধনী দেশের সম্পদশালী গোষ্ঠীর হাতে অর্থনৈতিক শক্তি কেন্দ্রীভূত হচ্ছে, আর সাধারণ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে জীবনযাপন করছে। এই পরিস্থিতিতে ইসলামিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

ইসলাম সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। ইসলামের সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি হলো সমাজের সব স্তরের মানুষকে সমান সুযোগ প্রদান করা এবং তাদের মর্যাদাকে সমুন্নত রাখা। মহানবী (সা.) মদিনায় যে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেখানে মুসলমান, ইহুদি, খ্রিস্টান, এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বী সকলের জন্য সমান অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছিল। সেই রাষ্ট্রে ধর্ম, বর্ণ বা জাতিগত ভিত্তিতে কোনো বৈষম্যের স্থান ছিল না। এই উদাহরণ আজকের বিশ্বে সামাজিক ন্যায়বিচার ও সমতার প্রতীক হয়ে আছে।

ইসলামে রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা এবং আইনের ক্ষেত্রেও সাম্য ও ন্যায়বিচারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ইসলামের আইনি ব্যবস্থা সবাইকে সমান চোখে দেখে, চাইলেই কোনো ব্যক্তি তার অবস্থানের কারণে বিশেষ সুবিধা পেতে পারে না। ইসলামিক আইনের ভিত্তি হলো আল্লাহর হুকুম, যা সমস্ত মানুষের ওপর সমানভাবে প্রয়োগযোগ্য। আইন বা শাসনের ক্ষেত্রে ইসলামে কোনো বৈষম্য নেই।

রাসূল (সা.) এর যুগে রাষ্ট্রীয় শাসনে দুর্নীতির কোনো সুযোগ ছিল না। যে কোনো অপরাধের জন্য অপরাধীর সামাজিক অবস্থান বা ক্ষমতা বিবেচনায় না এনে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করা হতো। এই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা আজকের বিশ্বের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক, যেখানে অনেক দেশ দুর্নীতি, বৈষম্য, এবং সামাজিক অবিচারের শিকার।

ইসলামের দাওয়াহ (প্রচার) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম, যার মাধ্যমে মানুষকে সমতার বাণী প্রচার করা হয়। মহানবী (সা.) এবং তার সাহাবিরা সমাজের নিপীড়িত ও বঞ্চিত শ্রেণির প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন এবং তাদের মধ্যে ইসলামের ন্যায়বিচারের বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। ইসলামের দাওয়াহর মূল শিক্ষা হলো, আল্লাহর কাছে মানুষ সমান এবং তাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণ করা হয় একমাত্র তাকওয়ার ভিত্তিতে।

বর্তমান সমাজে যেখানে ধর্মীয় এবং সামাজিক বৈষম্য প্রচলিত, ইসলামের দাওয়াহ বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের একটি শক্তিশালী মাধ্যম হতে পারে। ইসলামি শিক্ষার প্রচার ও প্রসার সমাজের সকল স্তরে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হতে পারে।

ইসলামিক রাষ্ট্রের মডেল একটি সাম্য ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের সেরা উদাহরণ হতে পারে। ইসলামি রাষ্ট্রে যেখানে ক্ষমতা, সম্পদ ও সুযোগের বণ্টন ন্যায়সঙ্গতভাবে হয়, সেখানে বৈষম্যের কোনো স্থান নেই। এ ধরনের একটি রাষ্ট্র মডেল বর্তমান বৈষম্যপূর্ণ সমাজে প্রয়োগ করা হলে, এটি রাষ্ট্র ও সমাজের বৈষম্য দূরীকরণে বিশাল অবদান রাখতে সক্ষম হবে। বর্তমানের বৈষম্যমূলক শাসনব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক কাঠামোতে ইসলামিক শাসনব্যবস্থা একটি শক্তিশালী সমাধান হতে পারে।

রাষ্ট্র ও সমাজের বৈষম্য দূরীকরণে ইসলামের বিকল্প নেই। ইসলামের সাম্য, ন্যায়বিচার এবং মানবিক মূল্যবোধ মানুষকে বৈষম্য ও অসাম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামে অনুপ্রাণিত করে। আজকের বিশ্বে যেখানে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য, সামাজিক অবিচার এবং রাজনৈতিক দুর্নীতি চরম আকার ধারণ করেছে, সেখানে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি রাষ্ট্র ও সমাজের স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠায় অনন্য ভূমিকা পালন করতে পারে। ইসলামের শিক্ষা ও দাওয়াহর মাধ্যমে আমরা একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন করতে পারি, যেখানে সকলের জন্য সমান সুযোগ ও অধিকার নিশ্চিত হবে।


আরো পড়ুন


 

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1

রাষ্ট্র ও সমাজে বৈষম্য দূরীকরণে ইসলামের ভূমিকা অপরিহার্য

আপডেট সময় : ১২:০৫:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৪
সংবাদটি শেয়ার করুন :

একটি সর্বজনীন জীবনব্যবস্থা, যা মানুষকে সকল ধরনের বৈষম্য ও অসাম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করতে প্রেরণা দেয়। ইসলামের মূলমন্ত্র হলো সাম্য, ন্যায়বিচার, এবং মানবতার কল্যাণ। মানব সমাজে যারা বঞ্চিত ও নিপীড়িত, তাদের জন্য ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত। সমাজ ও রাষ্ট্রের বৈষম্য দূরীকরণে ইসলাম একটি শক্তিশালী ও কার্যকরী মাধ্যম হতে পারে, যা মানবতার সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই সম্পাদকীয়তে রাষ্ট্র ও সমাজের বৈষম্য দূরীকরণে ইসলামের অনন্য ভূমিকা বিশ্লেষণ করা হবে।

Insaf World Banner 1

ইসলাম এমন এক জীবনব্যবস্থা যা মানুষকে বর্ণ, জাতি, শ্রেণি, ধর্ম, এবং ভাষার ভিত্তিতে কোনো প্রকার বৈষম্য করার অধিকার দেয় না। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বিদায় হজের ভাষণে বলেছেন, “সব মানুষ সমান, আরবের ওপর অনারবের এবং অনারবের ওপর আরবের কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই, আল্লাহর কাছে তাকওয়ার ভিত্তিতেই মানুষের মর্যাদা নির্ধারণ হয়।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে ইসলাম স্পষ্টভাবে সকল প্রকার বর্ণবাদ, শ্রেণিবৈষম্য ও ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়।

ইসলামের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত কার্যকরী। ইসলামের মূলনীতি হলো ধনীদের সম্পদের একটি অংশ গরিবদের মধ্যে বণ্টন করা। এই ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হয় যাকাতের মাধ্যমে, যা ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি। যাকাত ধনীদের জন্য একটি বাধ্যতামূলক কর যা গরিব, অসহায়, এবং নিপীড়িতদের মাঝে বিতরণ করা হয়। এটি কেবল দারিদ্র্য দূরীকরণ নয়, বরং সামাজিক সমতা প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান মাধ্যম।

Insaf World Banner 2

ইসলামের এই অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি আজকের সমাজে আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যেখানে ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে বৈষম্য ক্রমশ বাড়ছে। ধনী দেশের সম্পদশালী গোষ্ঠীর হাতে অর্থনৈতিক শক্তি কেন্দ্রীভূত হচ্ছে, আর সাধারণ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে জীবনযাপন করছে। এই পরিস্থিতিতে ইসলামিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

ইসলাম সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। ইসলামের সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি হলো সমাজের সব স্তরের মানুষকে সমান সুযোগ প্রদান করা এবং তাদের মর্যাদাকে সমুন্নত রাখা। মহানবী (সা.) মদিনায় যে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেখানে মুসলমান, ইহুদি, খ্রিস্টান, এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বী সকলের জন্য সমান অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছিল। সেই রাষ্ট্রে ধর্ম, বর্ণ বা জাতিগত ভিত্তিতে কোনো বৈষম্যের স্থান ছিল না। এই উদাহরণ আজকের বিশ্বে সামাজিক ন্যায়বিচার ও সমতার প্রতীক হয়ে আছে।

ইসলামে রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা এবং আইনের ক্ষেত্রেও সাম্য ও ন্যায়বিচারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ইসলামের আইনি ব্যবস্থা সবাইকে সমান চোখে দেখে, চাইলেই কোনো ব্যক্তি তার অবস্থানের কারণে বিশেষ সুবিধা পেতে পারে না। ইসলামিক আইনের ভিত্তি হলো আল্লাহর হুকুম, যা সমস্ত মানুষের ওপর সমানভাবে প্রয়োগযোগ্য। আইন বা শাসনের ক্ষেত্রে ইসলামে কোনো বৈষম্য নেই।

রাসূল (সা.) এর যুগে রাষ্ট্রীয় শাসনে দুর্নীতির কোনো সুযোগ ছিল না। যে কোনো অপরাধের জন্য অপরাধীর সামাজিক অবস্থান বা ক্ষমতা বিবেচনায় না এনে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করা হতো। এই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা আজকের বিশ্বের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক, যেখানে অনেক দেশ দুর্নীতি, বৈষম্য, এবং সামাজিক অবিচারের শিকার।

ইসলামের দাওয়াহ (প্রচার) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম, যার মাধ্যমে মানুষকে সমতার বাণী প্রচার করা হয়। মহানবী (সা.) এবং তার সাহাবিরা সমাজের নিপীড়িত ও বঞ্চিত শ্রেণির প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন এবং তাদের মধ্যে ইসলামের ন্যায়বিচারের বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। ইসলামের দাওয়াহর মূল শিক্ষা হলো, আল্লাহর কাছে মানুষ সমান এবং তাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণ করা হয় একমাত্র তাকওয়ার ভিত্তিতে।

বর্তমান সমাজে যেখানে ধর্মীয় এবং সামাজিক বৈষম্য প্রচলিত, ইসলামের দাওয়াহ বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের একটি শক্তিশালী মাধ্যম হতে পারে। ইসলামি শিক্ষার প্রচার ও প্রসার সমাজের সকল স্তরে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হতে পারে।

ইসলামিক রাষ্ট্রের মডেল একটি সাম্য ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের সেরা উদাহরণ হতে পারে। ইসলামি রাষ্ট্রে যেখানে ক্ষমতা, সম্পদ ও সুযোগের বণ্টন ন্যায়সঙ্গতভাবে হয়, সেখানে বৈষম্যের কোনো স্থান নেই। এ ধরনের একটি রাষ্ট্র মডেল বর্তমান বৈষম্যপূর্ণ সমাজে প্রয়োগ করা হলে, এটি রাষ্ট্র ও সমাজের বৈষম্য দূরীকরণে বিশাল অবদান রাখতে সক্ষম হবে। বর্তমানের বৈষম্যমূলক শাসনব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক কাঠামোতে ইসলামিক শাসনব্যবস্থা একটি শক্তিশালী সমাধান হতে পারে।

রাষ্ট্র ও সমাজের বৈষম্য দূরীকরণে ইসলামের বিকল্প নেই। ইসলামের সাম্য, ন্যায়বিচার এবং মানবিক মূল্যবোধ মানুষকে বৈষম্য ও অসাম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামে অনুপ্রাণিত করে। আজকের বিশ্বে যেখানে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য, সামাজিক অবিচার এবং রাজনৈতিক দুর্নীতি চরম আকার ধারণ করেছে, সেখানে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি রাষ্ট্র ও সমাজের স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠায় অনন্য ভূমিকা পালন করতে পারে। ইসলামের শিক্ষা ও দাওয়াহর মাধ্যমে আমরা একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন করতে পারি, যেখানে সকলের জন্য সমান সুযোগ ও অধিকার নিশ্চিত হবে।


আরো পড়ুন


 

সংবাদটি শেয়ার করুন :