বাংলাদেশ ১০:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

হামাসের বিজয়

মাহবুব শাহীন
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫
  • / 87

ছবি: মাহবুব শাহীন

Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দুই বছরের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে আজ, ৯ অক্টোবর ২০২৫, ঘোষিত হলো ঐতিহাসিক হামাস–ইসরায়েল শান্তিচুক্তি। এটি মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী মাইলফলক।

এই চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায়, এবং আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে কাতার, মিশর ও তুর্কি (Türkiye)।

এই শান্তি চুক্তির বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষক ও গ্যারান্টর হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র, মিশর, কাতার এবং তুর্কি (Türkiye) অংশ নিচ্ছে—যা এই সমঝোতার আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করবে।

চুক্তির আওতায় গাজা ও পশ্চিম তীর থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর ধাপে ধাপে প্রত্যাহার, হাজারো ফিলিস্তিনি বন্দীর মুক্তি, এবং আন্তর্জাতিক সহায়তায় গাজা পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ছয় মাসের মধ্যে একটি দুই-রাষ্ট্র সমাধান রোডম্যাপ বাস্তবায়নের অঙ্গীকারও এতে রয়েছে।

পটভূমি ও প্রেক্ষাপট:

২০২৩ সালের অক্টোবরে শুরু হয় ইসরায়েল–হামাস সংঘাত, যা দ্রুতই আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী যুদ্ধের একটিতে পরিণত হয়।
লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়, হাজারো শিশু ও নারী প্রাণ হারায়। যুদ্ধবিরতির একাধিক ব্যর্থ প্রচেষ্টার পর অবশেষে আজকের এই সমঝোতায় যুদ্ধের অবসান ঘটলো।

কাতার, মিশর ও তুর্কির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত একাধিক গোপন আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা ছিল—যার ফলেই এই ঐতিহাসিক চুক্তি সম্ভব হয়েছে।

চুক্তির মূল শর্তসমূহ:

১. গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার

২. ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তি

৩. আন্তর্জাতিক সহায়তায় গাজার পুনর্গঠন

৪. গাজার ওপর অবরোধ প্রত্যাহার

৫. ছয় মাসের মধ্যে দুই-রাষ্ট্র ভিত্তিক স্থায়ী সমাধানের আলোচনার সূচনা

বিশ্বের প্রতিক্রিয়া:

বিশ্বের অধিকাংশ রাষ্ট্র এই চুক্তিকে “মানবতার জয়” হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে। জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, তুর্কি, কাতার, মিশরসহ অনেক দেশ ইতোমধ্যে গাজা পুনর্গঠনে অংশ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেছেন, “এটি শুধু এক যুদ্ধের সমাপ্তি নয়, বরং মানবতার পুনর্জন্ম।”

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1
Insaf World Banner 2

হামাসের বিজয়

আপডেট সময় : ০৯:৪৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

দুই বছরের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে আজ, ৯ অক্টোবর ২০২৫, ঘোষিত হলো ঐতিহাসিক হামাস–ইসরায়েল শান্তিচুক্তি। এটি মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী মাইলফলক।

এই চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায়, এবং আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে কাতার, মিশর ও তুর্কি (Türkiye)।

এই শান্তি চুক্তির বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষক ও গ্যারান্টর হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র, মিশর, কাতার এবং তুর্কি (Türkiye) অংশ নিচ্ছে—যা এই সমঝোতার আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করবে।

চুক্তির আওতায় গাজা ও পশ্চিম তীর থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর ধাপে ধাপে প্রত্যাহার, হাজারো ফিলিস্তিনি বন্দীর মুক্তি, এবং আন্তর্জাতিক সহায়তায় গাজা পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ছয় মাসের মধ্যে একটি দুই-রাষ্ট্র সমাধান রোডম্যাপ বাস্তবায়নের অঙ্গীকারও এতে রয়েছে।

পটভূমি ও প্রেক্ষাপট:

২০২৩ সালের অক্টোবরে শুরু হয় ইসরায়েল–হামাস সংঘাত, যা দ্রুতই আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী যুদ্ধের একটিতে পরিণত হয়।
লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়, হাজারো শিশু ও নারী প্রাণ হারায়। যুদ্ধবিরতির একাধিক ব্যর্থ প্রচেষ্টার পর অবশেষে আজকের এই সমঝোতায় যুদ্ধের অবসান ঘটলো।

কাতার, মিশর ও তুর্কির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত একাধিক গোপন আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা ছিল—যার ফলেই এই ঐতিহাসিক চুক্তি সম্ভব হয়েছে।

চুক্তির মূল শর্তসমূহ:

১. গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার

২. ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তি

৩. আন্তর্জাতিক সহায়তায় গাজার পুনর্গঠন

৪. গাজার ওপর অবরোধ প্রত্যাহার

৫. ছয় মাসের মধ্যে দুই-রাষ্ট্র ভিত্তিক স্থায়ী সমাধানের আলোচনার সূচনা

বিশ্বের প্রতিক্রিয়া:

বিশ্বের অধিকাংশ রাষ্ট্র এই চুক্তিকে “মানবতার জয়” হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে। জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, তুর্কি, কাতার, মিশরসহ অনেক দেশ ইতোমধ্যে গাজা পুনর্গঠনে অংশ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেছেন, “এটি শুধু এক যুদ্ধের সমাপ্তি নয়, বরং মানবতার পুনর্জন্ম।”

সংবাদটি শেয়ার করুন :