বাংলাদেশ ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

ইরানে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ইসরায়েলের হামলা: উত্তেজনা বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:০১:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৪
  • / 236

ছবি: ইনসাফ বিশ্ব সংগৃহীত

Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসরায়েল সম্প্রতি ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। গত শনিবার মধ্যরাতে চালানো এই হামলাকে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) সীমিত পরিসরের অভিযান হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। ইরানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে এই আক্রমণ পরিচালিত হয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস দুই ইরানি কর্মকর্তার বরাতে হামলার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে।

হামলার লক্ষবস্তুসমূহ:

১. এস-৩০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা: ইসরায়েল তেহরানের ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্থাপিত এস-৩০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় হামলা চালিয়েছে।

২. ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি): ইসরায়েলি বিমান বাহিনী আইআরজিসির অন্তত তিনটি মিসাইল ঘাঁটিতে আক্রমণ করেছে।

৩. গোপন পার্চিন সামরিক ঘাঁটি: রাজধানী তেহরানের উপকণ্ঠে অবস্থিত গোপন পার্চিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়। ইসরায়েলের ড্রোনগুলোর মধ্যে অন্তত একটি সফলভাবে ঘাঁটিতে আঘাত হানে, বাকি ড্রোনগুলো ইরান ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়। এর আগে ২০২২ সালেও এই ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় এক প্রকৌশলী নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছিলেন।

ইরানকে আগে থেকেই হামলার তথ্য জানানো

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল কারখানা ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আক্রমণ চালানো হয়েছে, যা তারা দাবি করেছে ইসরায়েলে হামলার জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল। তবে, এই হামলা সম্পর্কে উত্তেজনা এড়াতে ইসরায়েল তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে ইরানকে আগে থেকেই পরিকল্পনার তথ্য জানায়। তিনটি সূত্রের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস জানিয়েছে যে, ইসরায়েল ইরানকে জানায় তারা কোন স্থাপনায় আক্রমণ চালাবে এবং কোথায় হামলা চালাবে না।

ইরানের পাল্টা হুঁশিয়ারি

তেহরান জানিয়েছে, তারা ইসরায়েলের আক্রমণের জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। ইরানি কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে, “কোনো ধরনের আগ্রাসনের জন্য ইসরায়েল কঠোর জবাব পাবে।” ইরান তাদের প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান তুলে ধরে জানিয়েছে, কোনো আগ্রাসনের ঘটনা ঘটলে তারা প্রতিশোধ নেবে।

এই ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ছে এবং ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘাতের আশঙ্কা তীব্র হচ্ছে।

আরো পড়ুন 

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1
Insaf World Banner 2

ইরানে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ইসরায়েলের হামলা: উত্তেজনা বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে

আপডেট সময় : ০৭:০১:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৪

ইসরায়েল সম্প্রতি ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। গত শনিবার মধ্যরাতে চালানো এই হামলাকে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) সীমিত পরিসরের অভিযান হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। ইরানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে এই আক্রমণ পরিচালিত হয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস দুই ইরানি কর্মকর্তার বরাতে হামলার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে।

হামলার লক্ষবস্তুসমূহ:

১. এস-৩০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা: ইসরায়েল তেহরানের ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্থাপিত এস-৩০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় হামলা চালিয়েছে।

২. ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি): ইসরায়েলি বিমান বাহিনী আইআরজিসির অন্তত তিনটি মিসাইল ঘাঁটিতে আক্রমণ করেছে।

৩. গোপন পার্চিন সামরিক ঘাঁটি: রাজধানী তেহরানের উপকণ্ঠে অবস্থিত গোপন পার্চিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়। ইসরায়েলের ড্রোনগুলোর মধ্যে অন্তত একটি সফলভাবে ঘাঁটিতে আঘাত হানে, বাকি ড্রোনগুলো ইরান ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়। এর আগে ২০২২ সালেও এই ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় এক প্রকৌশলী নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছিলেন।

ইরানকে আগে থেকেই হামলার তথ্য জানানো

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল কারখানা ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আক্রমণ চালানো হয়েছে, যা তারা দাবি করেছে ইসরায়েলে হামলার জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল। তবে, এই হামলা সম্পর্কে উত্তেজনা এড়াতে ইসরায়েল তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে ইরানকে আগে থেকেই পরিকল্পনার তথ্য জানায়। তিনটি সূত্রের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস জানিয়েছে যে, ইসরায়েল ইরানকে জানায় তারা কোন স্থাপনায় আক্রমণ চালাবে এবং কোথায় হামলা চালাবে না।

ইরানের পাল্টা হুঁশিয়ারি

তেহরান জানিয়েছে, তারা ইসরায়েলের আক্রমণের জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। ইরানি কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে, “কোনো ধরনের আগ্রাসনের জন্য ইসরায়েল কঠোর জবাব পাবে।” ইরান তাদের প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান তুলে ধরে জানিয়েছে, কোনো আগ্রাসনের ঘটনা ঘটলে তারা প্রতিশোধ নেবে।

এই ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ছে এবং ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘাতের আশঙ্কা তীব্র হচ্ছে।

আরো পড়ুন 

সংবাদটি শেয়ার করুন :