বিশ্বশান্তির প্রত্যাশায় একমঞ্চে ট্রাম্প, সিসি, এরদোয়ান, সালমানসহ ২০টিরও বেশি দেশের নেতারা
ট্রাম্প-সিসির সভাপতিত্বে মিশরে ‘গাজা শান্তি সম্মেলন’ সোমবার
- আপডেট সময় : ১১:৩০:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫
- / 121
মিশরের লোহিত সাগর উপকূলীয় শহর শার্ম আল-শেখে সোমবার শুরু হচ্ছে বহুল আলোচিত ‘গাজা শান্তি সম্মেলন’। এতে ২০টিরও বেশি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান অংশ নিচ্ছেন। সম্মেলনের যৌথ সভাপতিত্ব করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি।
রবিবার তুরস্কভিত্তিক গণমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধের অবসান, মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পুনর্গঠনের লক্ষ্যেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
আমন্ত্রিত বিশ্বনেতারা
মিশরের প্রেসিডেন্ট দপ্তর জানিয়েছে, সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন —
রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান (তুরস্ক),
শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি (কাতার),
মোহাম্মদ বিন সালমান (সৌদি আরব),
মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান (সংযুক্ত আরব আমিরাত),
ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ (ফ্রান্স),
বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহ (জর্ডান),
হামাদ বিন ঈসা আল খলিফা (বাহরাইন),
মাসুদ পেজেশকিয়ান (ইরান, যোগদানের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়),
প্রাবোও সুবিয়ান্তো (ইন্দোনেশিয়া),
কাইর স্টারমার (যুক্তরাজ্য),
পেদ্রো সানচেজ (স্পেন),
জর্জিয়া মেলোনি (ইতালি),
শেহবাজ শরিফ (পাকিস্তান),
ফ্রিডরিখ মের্জ (জার্মানি),
আন্তোনিও গুতেরেস (জাতিসংঘ),
এবং আন্তোনিও কোস্টা (ইউরোপীয় কাউন্সিল)।
যুদ্ধবিরতি পরিকল্পন
এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ইসরাইল ও হামাস তাঁর প্রস্তাবিত ২০ দফা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার প্রথম ধাপে সম্মত হয়েছে। এই ধাপে গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার এবং বন্দি বিনিময়ের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
দ্বিতীয় ধাপে থাকবে— হামাসবিহীন প্রশাসন গঠন, বহুজাতিক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন ও পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া।
মানবিক বিপর্যয় ও আশার আলো
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরাইলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৬৭,৬০০-এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগ নারী ও শিশু। গাজা উপত্যকা আজ কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
এ অবস্থায়, শার্ম আল-শেখের এই গাজা শান্তি সম্মেলনকে অনেকেই শান্তি পুনরুদ্ধারের নতুন কূটনৈতিক মোড় হিসেবে দেখছেন।













