ইসলামাবাদে জট: ট্রাম্পের পরবর্তী চাল কী?
- আপডেট সময় : ০৫:০৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
- / 40
ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বহুল প্রতীক্ষিত আলোচনা কোনো সমাধান ছাড়াই শেষ হয়েছে। মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই পরিস্থিতিকে একই সাথে ‘সুসংবাদ ও দুঃসংবাদ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার মতে, তেহরান ওয়াশিংটনের দেওয়া শর্তগুলো মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানানোয় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
বিবিসির প্রধান আন্তর্জাতিক সংবাদদাতা লিজ ডুসেটের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আলোচনার দীর্ঘসূত্রিতা তাৎপর্যপূর্ণ হলেও কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারাটা মোটেও আশ্চর্যজনক নয়। মার্কিনিরা ধারণা করেছিল, সাম্প্রতিক যুদ্ধে ইরান এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে যে তারা দ্রুত আপস করবে। কিন্তু বাস্তবে তেহরান নিজেদের অবস্থানে অনড় থেকে বিশ্বকে চমকে দিয়েছে।
সামরিক সক্ষমতার ক্ষয়ক্ষতি সত্ত্বেও ইরান এখনো যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মানসিকতা ও সামর্থ্য রাখে। বিশেষ করে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌ-পথ ‘হরমুজ প্রণালি’র নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে থাকায়, দর কষাকষিতে তারা এখনো সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। দেশটির নীতিনির্ধারকরা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, নির্দিষ্ট কিছু জাতীয় স্বার্থের বিষয়ে তারা কোনো ছাড় দিতে প্রস্তুত নয়।
এক দশক আগে পরমাণু চুক্তির সময়ও দুই দেশকে ১৮ মাস ধরে নানা চড়াই-উতরাই পার করতে হয়েছিল। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ডোনাল্ড ট্রাম্প এক কঠিন মোড়ে দাঁড়িয়ে আছেন। তার সামনে এখন দুটি পথ খোলা—হয় সংঘাতের মাত্রা বাড়িয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল করা, অথবা নতুন করে মূল্যায়নের মাধ্যমে আবারও আলোচনার টেবিলে ফিরে আসা।















