ইন্টারনেট নির্ভর জীবনে তথ্য সুরক্ষা এখন সময়ের দাবি। সঠিক কৌশল গ্রহণ করলে হ্যাকিং ও তথ্য ফাঁস থেকে বাঁচা সম্ভব।
সাইবার নিরাপত্তা: ডিজিটাল যুগে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার কৌশল
- আপডেট সময় : ১১:২৯:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / 133
ডিজিটাল যুগে ইন্টারনেট ছাড়া জীবন কল্পনা করা প্রায় অসম্ভব। অনলাইন ব্যাংকিং, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ই-কমার্স, এমনকি অফিসিয়াল কাজেও আমরা প্রতিনিয়ত ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করছি। তবে প্রযুক্তির অগ্রগতির পাশাপাশি বেড়ে চলেছে সাইবার অপরাধ। হ্যাকাররা নানা উপায়ে ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে, ফলে আর্থিক ক্ষতি থেকে শুরু করে পরিচয় চুরি পর্যন্ত নানা বিপদের মুখে পড়ছে ব্যবহারকারীরা। তাই ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় সচেতনতা ও কার্যকর কৌশল গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।
কেন সাইবার নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ?
ব্যক্তিগত আর্থিক তথ্য চুরি প্রতিরোধে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একাউন্ট সুরক্ষিত রাখতে
পরিচয় চুরি ও ভুয়া লেনদেন ঠেকাতে
প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক ডেটা সুরক্ষায়
ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার কৌশল
১. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন
সহজে অনুমান করা যায় এমন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ। বড় হাতের অক্ষর, ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্নের সমন্বয়ে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে।
২. টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (2FA) চালু করুন
শুধু পাসওয়ার্ড নয়, অতিরিক্ত ভেরিফিকেশন যেমন মোবাইল OTP বা ইমেইল ভেরিফিকেশন ব্যবহারে নিরাপত্তা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।
৩. নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট করুন
পুরনো সফটওয়্যারে নিরাপত্তা দুর্বলতা থাকে। তাই সবসময় অপারেটিং সিস্টেম, অ্যান্টিভাইরাস এবং অ্যাপ্লিকেশন আপডেট রাখা জরুরি।
৪. অপরিচিত লিঙ্ক ও অ্যাপ থেকে সতর্ক থাকুন
ফিশিং ইমেইল বা ভুয়া অ্যাপ ইনস্টল করলে তথ্য ফাঁসের সম্ভাবনা থাকে। সন্দেহজনক লিঙ্কে ক্লিক না করাই উত্তম।
৫. ডেটা ব্যাকআপ রাখুন
গুরুত্বপূর্ণ ফাইল বা ডকুমেন্ট ক্লাউড স্টোরেজ অথবা এক্সটার্নাল ড্রাইভে ব্যাকআপ রাখা উচিত। এতে র্যানসমওয়্যার আক্রমণেও ডেটা সুরক্ষিত থাকবে।
৬. পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহারে সতর্ক থাকুন
ফ্রি ওয়াই-ফাইতে তথ্য হ্যাক হওয়ার ঝুঁকি বেশি। প্রয়োজনে ভিপিএন ব্যবহার করা যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে অনেক প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যেই উন্নত সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। তবে ব্যক্তিগত পর্যায়ে সচেতনতা ও নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারই সর্বাধিক কার্যকর কৌশল।


















