আইডিইবি ফরিদপুর জেনিক শাখার সাধারণ সম্পাদক দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকায়, সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পদটি পূরণ করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে। সেই প্রেক্ষিতে ৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় মাসিক সভার আয়োজন করা হয়। সভাটি সভাপতি জনাব শামচুদ্দিন তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ফরিদপুর জেনিক অল্প কয়েকজন সদস্য উপস্থিত ছিলেন যাহাতে সভার করাম পূর্ণ হয় না। তবে অনেক সাধারণ সদস্যও এই সভায় অংশগ্রহণ করেন।
কো-আপ নিয়ে বিরোধ
সভায় সাধারণ সম্পাদক পদে কো-আপের বিষয়ে আলোচনা চলাকালে, সভার সঞ্চালক একটি নাম প্রস্তাব করেন। তিনি বলেন, সকলের মতামত নিতে গেলে বেশি সময় লাগবে, তাই একটি নাম নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। কিন্তু ফরিদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সাবেক ভিপি শামীমুল হক তালুকদার (ভিপি শামীম), আইডিইবি ফরিদপুর জেনিকের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান হোসেন, গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী শাওন হাওলাদার, উপ-সহকারী প্রকৌশলী সুমন মোল্ল্যা সহ অনেকে প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। তারা দাবি করেন, সাধারণ সম্পাদক পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং এটি গণতান্ত্রিক উপায়ে সাধারণ সভার মাধ্যমে কো-আপ করা উচিত। এতে পদটির গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে।
সভার সভাপতি শামচুদ্দিন তালুকদার গঠনতন্ত্রের বাধ্যবাধকতার কথা উল্লেখ করে পূর্ব নির্ধারিত প্রস্তাবিত ব্যক্তিকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কো-আপ করার ঘোষণা দেন। এ ঘোষণার পর ভিপি শামীমসহ বেশ কয়েকজন এর তীব্র বিরোধিতা করেন এবং অধিকাংশ সদস্য তাদের সমর্থন জানান। উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই সভাপতি সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
পরবর্তী পদক্ষেপ ও প্রতিক্রিয়া
ভিপি শামীম এবং ইমরান হোসেন ইনসাফ বিশ্বকে জানান, তারা চান যে আইডিইবি কেনিক (ফরিদপুর জেনিক) গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় পরিচালিত হোক এবং সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য অনুসরণ করে এগিয়ে যাক। তারা আরও জানান যে, বিষয়টি বর্তমান আইডিইবি কেনিক সদস্য সচিব কাজী সাখাওয়াত হোসেনকে জানানো হয়েছে, এবং তিনি সুষ্ঠু সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।
সাধারণ সদস্যদের প্রত্যাশা
আইডিইবি ফরিদপুর জেনিক শাখার সাধারণ সদস্যদের মধ্যে অনেকেই আশাবাদী যে, তাদের প্রাণের সংগঠনটি গণতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত হবে। তারা চান, পতিত স্বৈরশাসনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এই সংগঠনটি যেন আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার শিকার না হয় এবং তার মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অনুযায়ী পরিচালিত হয়।