উৎসবের আড়ালে কৃচ্ছ্রতার কড়া বার্তা
- আপডেট সময় : ০৭:২২:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
- / 5
বৈশ্বিক অস্থিরতার মাঝেও দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মিতব্যয়ী হওয়ার বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার বিকেলে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে তিনি দেশবাসীকে রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তিগত—উভয় ক্ষেত্রেই বাহুল্যতা বর্জনের উদাত্ত আহ্বান জানান।
ভর্তুকি ও দায়বদ্ধতার রাজনীতি
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বিশ্বজুড়ে জ্বালানির বাজারে অস্থিরতা থাকলেও সরকার জনগণের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে তেল ও ডিজেলের দাম বাড়ায়নি। প্রতিদিন এই খাতে শত কোটি টাকার বিশাল ভর্তুকি দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হচ্ছে। তিনি আশ্বস্ত করেন, বর্তমান সরকার জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ, তাই জনস্বার্থে সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এ সময় তিনি জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন।
অমরত্বের স্মারক ও স্বাধীনতা পুরস্কার
এবারের অনুষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে দেশের সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রী বিজয়ীদের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই সম্মাননা প্রবর্তন করেছিলেন, যা আজ বাংলাদেশের সবচেয়ে গৌরবময় রাষ্ট্রীয় অলংকার।
মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও মরণোত্তর সম্মান
চলতি বছরের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং নারী শিক্ষার প্রসারে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার মরহুমা মায়ের এই কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।























