রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের অনুমোদন, আলোচনায় তাহমিদ আলম সফি
কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে ছাত্রলীগ নেতার নতুন পরিচয়: ছাত্রদল সভাপতি
- আপডেট সময় : ১১:৫০:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / 211
কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ছাত্রদলের সাম্প্রতিক কমিটি অনুমোদন। রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ ছয় সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করেছে।
২৪ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির স্বাক্ষরিত অনুমোদিত কমিটিতে সভাপতি হয়েছেন তাহমিদ আলম সফি। তার সঙ্গে রয়েছেন—সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ আল নাঈম তোহা, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সাজিদুল হক, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল সাবিত তাবি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাবিলা ইসলাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক আলিফা ফারদিন।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, ছয় সদস্যের মধ্যে পাঁচজনই ইন্টার্নশিপের শেষ পর্যায়ে রয়েছেন। একমাত্র তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী হলেন সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবিত তাবি।
তবে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন নতুন সভাপতি তাহমিদ আলম সফি। এর আগে তিনি বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদের কক্সবাজার জেলা শাখার সমাজসেবা সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া থেকে শুরু করে ফেসবুক পোস্টে ছাত্রলীগের প্রচারণায় সক্রিয় ছিলেন তিনি। যদিও সফির দাবি, তার পরিবার ঐতিহ্যগতভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি বলেন, “আমার মননে সবসময় ছাত্রদল ও জাতীয়তাবাদী আদর্শ কাজ করেছে। কলেজ জীবনে জোরপূর্বক নাম যুক্ত করে আমাকে বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদে নেওয়া হয়েছিল।”
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বর্তমানে কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের কোনো কমিটি নেই। এক বছর দুই মাস আগে জেলা কমিটি বিলুপ্ত করার পর থেকে শূন্যতা বিরাজ করছে। এ অবস্থায় ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জারি থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় ছাত্রদল মেডিকেল কলেজের নতুন কমিটি ঘোষণা করেছে এবং আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার নির্দেশ দিয়েছে।
জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফাহিমুর রহমান এ প্রসঙ্গে বলেন, “মেডিকেল কলেজের কমিটিগুলো সরাসরি কেন্দ্রীয় ছাত্রদল দেখে। তবে তাহমিদ সফির বিতর্কিত রাজনৈতিক অতীত থাকায় আমি তাকে ফুল দেওয়ার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছি।”
কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের নতুন ছাত্রদল কমিটি অনুমোদনকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা চলছে।



















