বাংলাদেশ ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে কেউ আসেনি

ঢাকা প্রতিনিধ
  • আপডেট সময় : ০৪:০৬:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৪
  • / 264
Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াসহ আটজনের বিরুদ্ধে করা মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২২ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত। সোমবার কোনো সাক্ষী না আসায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক প্রদীপ কুমার নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী জিয়া উদ্দিন জিয়া ও হান্নান ভূঁইয়া জানান, এদিন সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবী আদালতে হাজিরা দাখিল করলেও কোনো সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় রাষ্ট্রপক্ষ সময়ের আবেদন করে। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে ২২ অক্টোবর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য পুনরায় দিন ধার্য করেন।

এ মামলার ৬৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ৫ জনের সাক্ষ্য ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।

এই মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউসুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান সেলিম ভূঁইয়া ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।

তবে কাশেম শরীফ, মীর ময়নুল হক এবং কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী পলাতক রয়েছেন। অন্যদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন এবং বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান মারা যাওয়ায় তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তৎকালীন সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম তেজগাঁও থানায় খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

২০১৮ সালের ৫ মে মামলার তদন্ত শেষে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০২৩ সালের ১৯ মার্চ ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলার বিচার কার্যক্রম এখনও চলছে এবং সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নতুন দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরো পড়ুন

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1
Insaf World Banner 2

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে কেউ আসেনি

আপডেট সময় : ০৪:০৬:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৪

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াসহ আটজনের বিরুদ্ধে করা মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২২ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত। সোমবার কোনো সাক্ষী না আসায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক প্রদীপ কুমার নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী জিয়া উদ্দিন জিয়া ও হান্নান ভূঁইয়া জানান, এদিন সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবী আদালতে হাজিরা দাখিল করলেও কোনো সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় রাষ্ট্রপক্ষ সময়ের আবেদন করে। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে ২২ অক্টোবর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য পুনরায় দিন ধার্য করেন।

এ মামলার ৬৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ৫ জনের সাক্ষ্য ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।

এই মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউসুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান সেলিম ভূঁইয়া ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।

তবে কাশেম শরীফ, মীর ময়নুল হক এবং কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী পলাতক রয়েছেন। অন্যদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন এবং বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান মারা যাওয়ায় তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তৎকালীন সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম তেজগাঁও থানায় খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

২০১৮ সালের ৫ মে মামলার তদন্ত শেষে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০২৩ সালের ১৯ মার্চ ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলার বিচার কার্যক্রম এখনও চলছে এবং সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নতুন দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরো পড়ুন

সংবাদটি শেয়ার করুন :