ইইউ আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা
ফেব্রুয়ারিতে হবে অবাধ ও উৎসবমুখর নির্বাচন
- আপডেট সময় : ১১:২৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / 181
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অবাধ, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ এবং উৎসবমুখর জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইউরোপীয় সংসদের সদস্য মনির সাতোরির নেতৃত্বে আগত আইনপ্রণেতাদের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
প্রধান উপদেষ্টা জানান, ইতোমধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এটি অনুষ্ঠিত হবে রমজানের আগে, অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির শুরুতে। তিনি বলেন, বহু বছর পর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্র সংগঠনের নির্বাচন পুনরায় শুরু হওয়ায় তরুণ সমাজের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে। একইভাবে জাতীয় নির্বাচনও শান্তিপূর্ণ, স্বচ্ছ এবং উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হবে। যদিও কিছু মহল নির্বাচন বিলম্বিত করার চেষ্টা করছে, তবুও সরকার নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ভোটগ্রহণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
অধ্যাপক ইউনূস আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এবার তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণ রেকর্ড সংখ্যায় হবে। কারণ, দীর্ঘ ১৫ বছর পর বিপুল সংখ্যক তরুণ প্রথমবারের মতো ভোট দিতে যাচ্ছেন। তার ভাষায়, “ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় সূচনা করবে—জাতির জন্য এটি হবে এক নতুন যাত্রার শুরু।”
ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় সরকারের সংস্কার উদ্যোগ, বাংলাদেশের উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক উত্তরণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা মানবিক সংকট নিয়ে আলোচনা হয়। ইইউ আইনপ্রণেতারা বলেন, বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হতে পারে এবং এটি সঠিক পথে এগিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত বহন করছে।
প্রধান উপদেষ্টা ইউরোপীয় ইউনিয়নের অব্যাহত সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং দশ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর জন্য বাড়তি তহবিল প্রদানের আহ্বান জানান। বিশেষ করে তিনি উল্লেখ করেন, সাহায্যের ঘাটতির কারণে সম্প্রতি কিছু শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শিবিরগুলোতে স্কুল পুনরায় চালুর জন্য তিনি সহায়তার অনুরোধ জানান।
এসময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাস্তবায়িত শ্রম সংস্কারগুলোর কথা তুলে ধরেন।

























