বাংলাদেশ ০৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

"রাষ্ট্রপতির থাকা না–থাকার প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা:

সিদ্ধান্ত নিবে অন্তর্বর্তী সরকার

বার্তা প্রধান ইনসাফ বিশ্ব
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৪
  • / 287
Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাষ্ট্রপতির পদে মো. সাহাবুদ্দিনের থাকা বা না থাকার প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে অন্তর্বর্তী সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। আজ বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সমঝোতার ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতির পদে থাকা বা না থাকার বিষয়টি নির্ধারণ করা হবে।

বন, পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে সরকার ইতিমধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। আলোচনা সাপেক্ষে দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

বিএনপির শীর্ষ তিন নেতা গতকাল প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁদের অবস্থান জানান। দলটি মনে করে, এই মুহূর্তে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ হলে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হতে পারে। বিএনপি রাষ্ট্রপতির পদে শূন্যতা সৃষ্টি করতে চায় না।

সম্প্রতি, রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন একটি মন্তব্য করেন, যেখানে তিনি জানান, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের কোনো প্রমাণ নেই। এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন মহলে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবি উঠে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকের পর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ হয়। ইনকিলাব মঞ্চের ব্যানারে বঙ্গভবনের সামনেও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে, সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল রাষ্ট্রপতির বক্তব্যকে মিথ্যাচার এবং শপথ লঙ্ঘনের শামিল বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ৫ আগস্ট রাষ্ট্রপতি জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে নিজেই বলেছেন, শেখ হাসিনা তাঁর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং তিনি তা গ্রহণ করেছেন।

গত কয়েক দিনে রাষ্ট্রপতির পদে নতুন মুখ খোঁজার বিষয়ে সরকারের তৎপরতার খবরও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের কাছে রাষ্ট্রপতি হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি।

আজকের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে প্রথমবার রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। উপদেষ্টা পরিষদের কয়েকজন সদস্য জানান, ছাত্রদের মধ্যে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ব্যাপারে দাবি রয়েছে। তবে কিছু রাজনৈতিক দল মনে করে, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হবে। এ পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1
Insaf World Banner 2

"রাষ্ট্রপতির থাকা না–থাকার প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা:

সিদ্ধান্ত নিবে অন্তর্বর্তী সরকার

আপডেট সময় : ০৪:৩৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৪

রাষ্ট্রপতির পদে মো. সাহাবুদ্দিনের থাকা বা না থাকার প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে অন্তর্বর্তী সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। আজ বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সমঝোতার ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতির পদে থাকা বা না থাকার বিষয়টি নির্ধারণ করা হবে।

বন, পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে সরকার ইতিমধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। আলোচনা সাপেক্ষে দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

বিএনপির শীর্ষ তিন নেতা গতকাল প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁদের অবস্থান জানান। দলটি মনে করে, এই মুহূর্তে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ হলে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হতে পারে। বিএনপি রাষ্ট্রপতির পদে শূন্যতা সৃষ্টি করতে চায় না।

সম্প্রতি, রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন একটি মন্তব্য করেন, যেখানে তিনি জানান, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের কোনো প্রমাণ নেই। এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন মহলে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবি উঠে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকের পর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ হয়। ইনকিলাব মঞ্চের ব্যানারে বঙ্গভবনের সামনেও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে, সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল রাষ্ট্রপতির বক্তব্যকে মিথ্যাচার এবং শপথ লঙ্ঘনের শামিল বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ৫ আগস্ট রাষ্ট্রপতি জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে নিজেই বলেছেন, শেখ হাসিনা তাঁর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং তিনি তা গ্রহণ করেছেন।

গত কয়েক দিনে রাষ্ট্রপতির পদে নতুন মুখ খোঁজার বিষয়ে সরকারের তৎপরতার খবরও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের কাছে রাষ্ট্রপতি হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি।

আজকের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে প্রথমবার রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। উপদেষ্টা পরিষদের কয়েকজন সদস্য জানান, ছাত্রদের মধ্যে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ব্যাপারে দাবি রয়েছে। তবে কিছু রাজনৈতিক দল মনে করে, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হবে। এ পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :