বাংলাদেশ ০৪:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

২০৪১ সাল পর্যন্ত হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে

স্বাধীনতা দিল্লির পায়ের নিচে থাকতো: ফারুক

ঢাকা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:০৩:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৪
  • / 263
Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
সংবাদটি শেয়ার করুন :

শেখ হাসিনা যদি ২০৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতেন, তবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিল্লির পায়ের নিচে থাকতো। রাজধানীর প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক পার্টি আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন।

Insaf World Banner 1

ফারুক আরও বলেন, “শেখ হাসিনা যদি ২০৪১ সাল পর্যন্ত থাকতেন, তাহলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়তো এবং তা ভারতের প্রভাবের অধীনে চলে যেত। যারা দেশের জনগণের ক্ষতি করেছে, তাদের বিষয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে হবে এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।”

ফারুক বলেন, বিএনপি নেতা তারেক রহমান বলেছেন, আমরা এমন একটি নির্বাচন চাই যেখানে একজন ব্যক্তি একটি ভোটই দিতে পারবেন। “কবর থেকে উঠে এসে কেউ যেন ভোট দিতে না পারে। দেশে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে।” ইউনূস সরকারকে তিনি বলেন, “যৌক্তিক সময়ের মধ্যে অবশ্যই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করতে হবে এবং রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে জনপ্রতিনিধিদের হাতে দেশের দায়িত্বভার তুলে দিতে হবে।”

Insaf World Banner 2

স্বৈরাচারী শাসনের সমালোচনা

ফারুক তার বক্তব্যে আরও বলেন, “১৬ বছরের নির্যাতন, গুম, খুন এবং অন্যায় অত্যাচার করেছেন শেখ হাসিনা। আল্লাহ তাঁকে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছেন।” তিনি অভিযোগ করেন, “শেখ হাসিনা বাবার মৃত্যুর মাসেই বিদায় নিয়েছেন। ১৬ বছরের এই শাসন ছিল জনগণের প্রতি এক ধরনের শোষণমূলক অত্যাচার।”

সাংবাদিকদের প্রতি সম্মান

ফারুক সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আপনারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গুলি খেয়েও সংবাদ সংগ্রহ করেছেন, কিন্তু আপনারা সত্য প্রচার করতে পারেননি। কারণ সরকার সেটাকে কাটছাঁট করেছে এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, মির্জা ফখরুলের বক্তব্য সঠিকভাবে প্রচার না করায় সরকারের প্রতি সাধারণ জনগণের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সমাবেশের অন্যান্য বক্তারা

জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি এস এম শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মাওলানা শাহ মোহা নেসারুল হক, আনোয়ার হোসেন বুলু, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির সভাপতি ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি কারী আবু তাহের, এবং জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক পার্টির মহাসচিব সাইফুল আলমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

উপসংহার

জয়নুল আবদীন ফারুকের বক্তব্য শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী দলের তীব্র সমালোচনা প্রকাশ করে। তাঁর মন্তব্যগুলো বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রতিফলন ঘটায়। নেতারা অবিলম্বে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে তাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

আরো পড়ুন

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1

২০৪১ সাল পর্যন্ত হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে

স্বাধীনতা দিল্লির পায়ের নিচে থাকতো: ফারুক

আপডেট সময় : ১২:০৩:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৪
সংবাদটি শেয়ার করুন :

শেখ হাসিনা যদি ২০৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতেন, তবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিল্লির পায়ের নিচে থাকতো। রাজধানীর প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক পার্টি আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন।

Insaf World Banner 1

ফারুক আরও বলেন, “শেখ হাসিনা যদি ২০৪১ সাল পর্যন্ত থাকতেন, তাহলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়তো এবং তা ভারতের প্রভাবের অধীনে চলে যেত। যারা দেশের জনগণের ক্ষতি করেছে, তাদের বিষয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে হবে এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।”

ফারুক বলেন, বিএনপি নেতা তারেক রহমান বলেছেন, আমরা এমন একটি নির্বাচন চাই যেখানে একজন ব্যক্তি একটি ভোটই দিতে পারবেন। “কবর থেকে উঠে এসে কেউ যেন ভোট দিতে না পারে। দেশে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে।” ইউনূস সরকারকে তিনি বলেন, “যৌক্তিক সময়ের মধ্যে অবশ্যই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করতে হবে এবং রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে জনপ্রতিনিধিদের হাতে দেশের দায়িত্বভার তুলে দিতে হবে।”

Insaf World Banner 2

স্বৈরাচারী শাসনের সমালোচনা

ফারুক তার বক্তব্যে আরও বলেন, “১৬ বছরের নির্যাতন, গুম, খুন এবং অন্যায় অত্যাচার করেছেন শেখ হাসিনা। আল্লাহ তাঁকে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছেন।” তিনি অভিযোগ করেন, “শেখ হাসিনা বাবার মৃত্যুর মাসেই বিদায় নিয়েছেন। ১৬ বছরের এই শাসন ছিল জনগণের প্রতি এক ধরনের শোষণমূলক অত্যাচার।”

সাংবাদিকদের প্রতি সম্মান

ফারুক সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আপনারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গুলি খেয়েও সংবাদ সংগ্রহ করেছেন, কিন্তু আপনারা সত্য প্রচার করতে পারেননি। কারণ সরকার সেটাকে কাটছাঁট করেছে এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, মির্জা ফখরুলের বক্তব্য সঠিকভাবে প্রচার না করায় সরকারের প্রতি সাধারণ জনগণের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সমাবেশের অন্যান্য বক্তারা

জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি এস এম শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মাওলানা শাহ মোহা নেসারুল হক, আনোয়ার হোসেন বুলু, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির সভাপতি ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি কারী আবু তাহের, এবং জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক পার্টির মহাসচিব সাইফুল আলমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

উপসংহার

জয়নুল আবদীন ফারুকের বক্তব্য শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী দলের তীব্র সমালোচনা প্রকাশ করে। তাঁর মন্তব্যগুলো বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রতিফলন ঘটায়। নেতারা অবিলম্বে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে তাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

আরো পড়ুন

সংবাদটি শেয়ার করুন :