বাংলাদেশ ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

হেফাজতে ইসলাম: গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি

স্টাফ রিপোর্টার ইনসাফ বিশ্ব
  • আপডেট সময় : ১২:৫৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৪
  • / 223
Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতীয় দিবস ৭ মার্চ ও ১৫ আগস্ট বাতিল করাকে স্বাগত জানিয়ে এবং আওয়ামী লীগকে গণহত্যার দায়ে নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব মাওলানা সাজেদুর রহমান এক বিবৃতি দিয়েছেন। মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এ বিবৃতিতে তাঁরা বর্তমান রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর অপসারণও দাবি করেছেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু অবৈধ প্রধানমন্ত্রীর কথিত পদত্যাগপত্রের প্রাপ্তি সম্পর্কে পূর্বে স্বীকার করলেও পরবর্তীতে অস্বীকার করে শপথ ভঙ্গ করেছেন। তাঁরা বলেন, রাষ্ট্রপতি চুপ্পু ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিশ্বস্ত ব্যক্তি এবং তাঁকে অবিলম্বে অপসারণ করা উচিত। তাঁরা আরও বলেন, “জুলাই বিপ্লবের চেতনার সাথে যারা বিশ্বাসঘাতকতা করবে, তারাই গণশত্রু হিসেবে চিহ্নিত হবে।”

আল্লামা বাবুনগরী ও মাওলানা সাজেদুর রহমান বলেন, ফ্যাসিস্টদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত জাতীয় দিবস ৭ মার্চ ও ১৫ আগস্ট বাতিল করায় অন্তর্বর্তী সরকারকে সাধুবাদ জানাই। তাঁরা উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একদলীয় শাসন কায়েম করে রক্ষীবাহিনী নামে সন্ত্রাসী বাহিনী তৈরি করেছিলেন, যার মাধ্যমে হাজারো আলেম ও বিরোধী নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল।

নেতৃবৃন্দ বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদের জনক মুজিব ভিন্নমতের প্রতি সহনশীল ছিলেন না এবং তাঁর শাসনামলে হাজার হাজার বিরোধী নেতা-কর্মীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ৭৪-এর দুর্ভিক্ষের সময় আওয়ামী লীগের সীমাহীন দুর্নীতির ফলে লাখো মানুষ অনাহারে মারা যায়। তাঁরা আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে সংবাদপত্রের স্বাধীনতাও ছিল সংকুচিত; চারটি পত্রিকা বাদে সব সংবাদপত্র নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

আল্লামা বাবুনগরী বলেন, ফ্যাসিস্ট মুজিবের কর্মকাণ্ড তাঁর কন্যা শেখ হাসিনার শাসনামলে চেপে রাখা হয়েছিল। শেখ হাসিনা নিজের পিতাকে জাতির পিতা হিসেবে জোর করে চাপিয়ে দিয়েছেন। পিলখানা, শাপলা চত্বর এবং সাম্প্রতিক গণহত্যার জন্য তাঁকে দায়ী করা হয়েছে। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে তিনি ভারতে পালিয়ে যান।

বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলামের নেতৃবৃন্দ বলেন, আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনগুলোকে নিষিদ্ধ করা না হলে তারা গণবিপ্লবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাবে। তাঁরা বলেন, “আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ না করা পর্যন্ত ছাত্র-জনতার বিপ্লব সফল হবে না।”

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1
Insaf World Banner 2

হেফাজতে ইসলাম: গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি

আপডেট সময় : ১২:৫৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৪

জাতীয় দিবস ৭ মার্চ ও ১৫ আগস্ট বাতিল করাকে স্বাগত জানিয়ে এবং আওয়ামী লীগকে গণহত্যার দায়ে নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব মাওলানা সাজেদুর রহমান এক বিবৃতি দিয়েছেন। মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এ বিবৃতিতে তাঁরা বর্তমান রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর অপসারণও দাবি করেছেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু অবৈধ প্রধানমন্ত্রীর কথিত পদত্যাগপত্রের প্রাপ্তি সম্পর্কে পূর্বে স্বীকার করলেও পরবর্তীতে অস্বীকার করে শপথ ভঙ্গ করেছেন। তাঁরা বলেন, রাষ্ট্রপতি চুপ্পু ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিশ্বস্ত ব্যক্তি এবং তাঁকে অবিলম্বে অপসারণ করা উচিত। তাঁরা আরও বলেন, “জুলাই বিপ্লবের চেতনার সাথে যারা বিশ্বাসঘাতকতা করবে, তারাই গণশত্রু হিসেবে চিহ্নিত হবে।”

আল্লামা বাবুনগরী ও মাওলানা সাজেদুর রহমান বলেন, ফ্যাসিস্টদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত জাতীয় দিবস ৭ মার্চ ও ১৫ আগস্ট বাতিল করায় অন্তর্বর্তী সরকারকে সাধুবাদ জানাই। তাঁরা উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একদলীয় শাসন কায়েম করে রক্ষীবাহিনী নামে সন্ত্রাসী বাহিনী তৈরি করেছিলেন, যার মাধ্যমে হাজারো আলেম ও বিরোধী নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল।

নেতৃবৃন্দ বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদের জনক মুজিব ভিন্নমতের প্রতি সহনশীল ছিলেন না এবং তাঁর শাসনামলে হাজার হাজার বিরোধী নেতা-কর্মীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ৭৪-এর দুর্ভিক্ষের সময় আওয়ামী লীগের সীমাহীন দুর্নীতির ফলে লাখো মানুষ অনাহারে মারা যায়। তাঁরা আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে সংবাদপত্রের স্বাধীনতাও ছিল সংকুচিত; চারটি পত্রিকা বাদে সব সংবাদপত্র নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

আল্লামা বাবুনগরী বলেন, ফ্যাসিস্ট মুজিবের কর্মকাণ্ড তাঁর কন্যা শেখ হাসিনার শাসনামলে চেপে রাখা হয়েছিল। শেখ হাসিনা নিজের পিতাকে জাতির পিতা হিসেবে জোর করে চাপিয়ে দিয়েছেন। পিলখানা, শাপলা চত্বর এবং সাম্প্রতিক গণহত্যার জন্য তাঁকে দায়ী করা হয়েছে। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে তিনি ভারতে পালিয়ে যান।

বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলামের নেতৃবৃন্দ বলেন, আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনগুলোকে নিষিদ্ধ করা না হলে তারা গণবিপ্লবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাবে। তাঁরা বলেন, “আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ না করা পর্যন্ত ছাত্র-জনতার বিপ্লব সফল হবে না।”

সংবাদটি শেয়ার করুন :