বাংলাদেশ ০৯:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

জলপথে বারুদ: ড্রাগনের কানে তেহরানের হুঁশিয়ারি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৫:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / 12

ছবি: ইরান ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উপসাগরীয় অঞ্চল ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে ওয়াশিংটনের ক্রমবর্ধমান তৎপরতা নিয়ে বেইজিংকে সতর্ক করেছে তেহরান। সম্প্রতি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-র মধ্যে এক জরুরি ফোনালাপে এই উদ্বেগের কথা জানানো হয়। ইরানের সংবাদ সংস্থা ইসনার বরাতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।

ওয়াশিংটনকে কড়া বার্তা

আব্বাস আরাগচি অভিযোগ করেছেন, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘উসকানিমূলক কার্যক্রম’ কেবল বিপজ্জনকই নয়, বরং এর পরিণতি হতে পারে ভয়াবহ। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এই সংবেদনশীল জলপথে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে সরাসরি হুমকির মুখে ফেলছে এবং পরিস্থিতিকে দিন দিন আরও জটিল করে তুলছে।

তেহরানের পাশে বেইজিং?

ফোনালাপে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বর্তমান প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ইরানি জনগণের ধৈর্য ও ‘সহনশীলতার’ ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি ইঙ্গিত দেন যে, মধ্যপ্রাচ্যের এই দীর্ঘমেয়াদী সংকটের শান্তিপূর্ণ ও কূটনৈতিক সমাধানে বেইজিং সক্রিয়ভাবে মধ্যস্থতা করতে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সর্বদা প্রস্তুত।

নতুন মেরুকরণের আভাস

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চীনের সাথে ইরানের এই ঘনিষ্ঠ আলাপচারিতা মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের একাধিপত্যের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী কূটনৈতিক মোর্চা তৈরির ইঙ্গিত দিচ্ছে। সমুদ্রপথের নিয়ন্ত্রণ এবং ভূ-রাজনৈতিক আধিপত্য নিয়ে এই দুই পরাশক্তির মধ্যকার আলোচনা আন্তর্জাতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1
Insaf World Banner 2

জলপথে বারুদ: ড্রাগনের কানে তেহরানের হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় : ০৯:৫৫:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

উপসাগরীয় অঞ্চল ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে ওয়াশিংটনের ক্রমবর্ধমান তৎপরতা নিয়ে বেইজিংকে সতর্ক করেছে তেহরান। সম্প্রতি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-র মধ্যে এক জরুরি ফোনালাপে এই উদ্বেগের কথা জানানো হয়। ইরানের সংবাদ সংস্থা ইসনার বরাতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।

ওয়াশিংটনকে কড়া বার্তা

আব্বাস আরাগচি অভিযোগ করেছেন, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘উসকানিমূলক কার্যক্রম’ কেবল বিপজ্জনকই নয়, বরং এর পরিণতি হতে পারে ভয়াবহ। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এই সংবেদনশীল জলপথে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে সরাসরি হুমকির মুখে ফেলছে এবং পরিস্থিতিকে দিন দিন আরও জটিল করে তুলছে।

তেহরানের পাশে বেইজিং?

ফোনালাপে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বর্তমান প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ইরানি জনগণের ধৈর্য ও ‘সহনশীলতার’ ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি ইঙ্গিত দেন যে, মধ্যপ্রাচ্যের এই দীর্ঘমেয়াদী সংকটের শান্তিপূর্ণ ও কূটনৈতিক সমাধানে বেইজিং সক্রিয়ভাবে মধ্যস্থতা করতে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সর্বদা প্রস্তুত।

নতুন মেরুকরণের আভাস

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চীনের সাথে ইরানের এই ঘনিষ্ঠ আলাপচারিতা মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের একাধিপত্যের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী কূটনৈতিক মোর্চা তৈরির ইঙ্গিত দিচ্ছে। সমুদ্রপথের নিয়ন্ত্রণ এবং ভূ-রাজনৈতিক আধিপত্য নিয়ে এই দুই পরাশক্তির মধ্যকার আলোচনা আন্তর্জাতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :