বাংলাদেশ ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

অদৃশ্যে থেকে খামেনির হুঙ্কার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 1

ছবি:আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি

Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইরানের সেনাবাহিনী দিবস উপলক্ষে এক বিশেষ বার্তায় ‘অহংকারী ও কুফরি’ শক্তির বিরুদ্ধে আমৃত্যু লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন দেশটির বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি। টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় তিনি দাবি করেন, ইরানের সামরিক শক্তি আজ বিশ্বজুড়ে শত্রুদের দুর্বলতা ও অপদস্থতাকে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।

​মুজতবা খামেনি বিশেষভাবে ইরানের ড্রোন প্রযুক্তির প্রশংসা করে বলেন, এগুলো মার্কিন ও জায়নিস্ট অপরাধীদের ওপর বজ্রের মতো আঘাত হানছে। পাশাপাশি দেশটির নৌবাহিনী সমুদ্রপথে শত্রুদের পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। বর্তমান সংঘাতকে তিনি ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে চলে আসা ধারাবাহিক প্রতিরোধের একটি অংশ হিসেবে চিহ্নিত করেন।

​সেনাবাহিনীকে ‘জনগণের হৃদস্পন্দন’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি তার প্রয়াত পিতা ও সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, বিপ্লবের শুরু থেকেই আলি খামেনি সেনাবাহিনীকে আধুনিক ও শক্তিশালী করার পেছনে মূল কারিগর হিসেবে কাজ করেছেন।

​উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে পিতা নিহত হওয়ার পর ক্ষমতার মসনদে বসলেও মুজতবা খামেনি এখন পর্যন্ত জনসমক্ষে উপস্থিত হননি। পর্দার আড়ালে থেকেই তিনি দেশ পরিচালনা করছেন। সবশেষে তিনি চলমান যুদ্ধে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করে নিজের বার্তা শেষ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1
Insaf World Banner 2

অদৃশ্যে থেকে খামেনির হুঙ্কার

আপডেট সময় : ০৮:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের সেনাবাহিনী দিবস উপলক্ষে এক বিশেষ বার্তায় ‘অহংকারী ও কুফরি’ শক্তির বিরুদ্ধে আমৃত্যু লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন দেশটির বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি। টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় তিনি দাবি করেন, ইরানের সামরিক শক্তি আজ বিশ্বজুড়ে শত্রুদের দুর্বলতা ও অপদস্থতাকে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।

​মুজতবা খামেনি বিশেষভাবে ইরানের ড্রোন প্রযুক্তির প্রশংসা করে বলেন, এগুলো মার্কিন ও জায়নিস্ট অপরাধীদের ওপর বজ্রের মতো আঘাত হানছে। পাশাপাশি দেশটির নৌবাহিনী সমুদ্রপথে শত্রুদের পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। বর্তমান সংঘাতকে তিনি ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে চলে আসা ধারাবাহিক প্রতিরোধের একটি অংশ হিসেবে চিহ্নিত করেন।

​সেনাবাহিনীকে ‘জনগণের হৃদস্পন্দন’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি তার প্রয়াত পিতা ও সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, বিপ্লবের শুরু থেকেই আলি খামেনি সেনাবাহিনীকে আধুনিক ও শক্তিশালী করার পেছনে মূল কারিগর হিসেবে কাজ করেছেন।

​উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে পিতা নিহত হওয়ার পর ক্ষমতার মসনদে বসলেও মুজতবা খামেনি এখন পর্যন্ত জনসমক্ষে উপস্থিত হননি। পর্দার আড়ালে থেকেই তিনি দেশ পরিচালনা করছেন। সবশেষে তিনি চলমান যুদ্ধে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করে নিজের বার্তা শেষ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন :