বাংলাদেশ ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

পিলখানা হত্যাকাণ্ড: দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত

স্টাফ রিপোর্টার ইনসাফ বিশ্ব
  • আপডেট সময় : ০১:৩০:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৪
  • / 234
Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পিলখানা হত্যাকাণ্ড দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, বিডিআর ও সেনাবাহিনীর শক্তি ধ্বংস করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিডিআর হত্যাকাণ্ডে নিহত মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদের ছেলে, অ্যাডভোকেট রাকিন আহমেদ।

বুধবার বিকেলে পীরগঞ্জের জাফরপাড়ায় শহীদ আবু সাঈদের বাড়িতে কবর জিয়ারত করতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। এরপর তিনি শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

রাকিন আহমেদ বলেন, “প্রতিবেশী রাষ্ট্র অবশ্যই পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল। আমরা জুলাইয়ের বিপ্লবের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের এক বিশেষ স্থান প্রতিষ্ঠা করেছি, সাহসী ছাত্র-ছাত্রীদের এবং আবু সাঈদের জন্য।” তিনি দাবি করেন, “৫ আগস্টের জুলাইয়ের বিপ্লব যেন ইতিহাসের পাতায় স্থায়ীভাবে স্থান পায়।”

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জানতে চাইলে রাকিন বলেন, “ওই সময় একটি ফোর্স ধ্বংস করা হয়েছিল, যা একটি ষড়যন্ত্রের অংশ। আমি মূলত সাঈদের কবর জিয়ারত করতে এসেছি, পিলখানার বিষয়ে নয়। আমি শেখ হাসিনা নই, যে সবসময় বাবার বা ১৫ আগস্টের প্রসঙ্গ টেনে আনব।”

২০০৯ সালে বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় জেলহাজত খাটা ও চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যরা শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারতে অংশ নেন। রংপুরের অন্তত ৫ শতাধিক বিডিআর সদস্য এ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও এসময় উপস্থিত ছিলেন।

আরো পড়ুন 

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1
Insaf World Banner 2

পিলখানা হত্যাকাণ্ড: দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত

আপডেট সময় : ০১:৩০:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৪

পিলখানা হত্যাকাণ্ড দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, বিডিআর ও সেনাবাহিনীর শক্তি ধ্বংস করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিডিআর হত্যাকাণ্ডে নিহত মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদের ছেলে, অ্যাডভোকেট রাকিন আহমেদ।

বুধবার বিকেলে পীরগঞ্জের জাফরপাড়ায় শহীদ আবু সাঈদের বাড়িতে কবর জিয়ারত করতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। এরপর তিনি শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

রাকিন আহমেদ বলেন, “প্রতিবেশী রাষ্ট্র অবশ্যই পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল। আমরা জুলাইয়ের বিপ্লবের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের এক বিশেষ স্থান প্রতিষ্ঠা করেছি, সাহসী ছাত্র-ছাত্রীদের এবং আবু সাঈদের জন্য।” তিনি দাবি করেন, “৫ আগস্টের জুলাইয়ের বিপ্লব যেন ইতিহাসের পাতায় স্থায়ীভাবে স্থান পায়।”

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জানতে চাইলে রাকিন বলেন, “ওই সময় একটি ফোর্স ধ্বংস করা হয়েছিল, যা একটি ষড়যন্ত্রের অংশ। আমি মূলত সাঈদের কবর জিয়ারত করতে এসেছি, পিলখানার বিষয়ে নয়। আমি শেখ হাসিনা নই, যে সবসময় বাবার বা ১৫ আগস্টের প্রসঙ্গ টেনে আনব।”

২০০৯ সালে বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় জেলহাজত খাটা ও চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যরা শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারতে অংশ নেন। রংপুরের অন্তত ৫ শতাধিক বিডিআর সদস্য এ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও এসময় উপস্থিত ছিলেন।

আরো পড়ুন 

সংবাদটি শেয়ার করুন :