হাইকোর্টে পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের রুলে বিএনপিকে বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ
- আপডেট সময় : ১২:৫৩:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৪
- / 238
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল প্রশ্নে জারি করা রুলে বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য বিএনপিকে ইন্টারভেনর হিসেবে যুক্ত করার আবেদন মঞ্জুর করেছে হাইকোর্ট। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) এ আদেশ দেন। বিএনপির পক্ষে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল এ আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন বিরোধী দলের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয়। তৎকালীন বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে এই ব্যবস্থা কার্যকর করে। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে ২০১১ সালের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে। এই ব্যবস্থা পুনঃস্থাপনের দাবিতে বিএনপি বিগত দেড় দশক ধরে রাজনৈতিকভাবে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। তাই এই মামলায় বিএনপি বক্তব্য উপস্থাপনের অনুমতি চেয়েছে।
আদেশের পর মির্জা ফখরুলের কৌসুলি সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, “পঞ্চদশ সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করেছে। রুলে বিএনপির পক্ষ থেকে বক্তব্য প্রদানের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। আমাদের মতে, রিটে কেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল, সেই বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই। বিএনপির মহাসচিব তাই ইন্টারভেনর হওয়ার আবেদন করেছেন এবং আদালত তা মঞ্জুর করেছেন।”
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয়, যার মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। এছাড়া, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধানও এই সংশোধনীর অন্তর্ভুক্ত।
গত ১৮ আগস্ট সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি পঞ্চদশ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন। পরদিন ১৯ আগস্ট হাইকোর্ট এই সংশোধনী কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে এবং ৩০ অক্টোবর শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।























