বাংলাদেশ ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

পুরো আসনের ভোট বাতিলের ক্ষমতা পেল নির্বাচন কমিশন

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৩২:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫
  • / 112

ছবি: সংগৃহীত

Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নির্বাচন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে সরকার। আগে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কেবল কোনো কেন্দ্রের ফলাফল বাতিল করতে পারতো, কিন্তু এখন অনিয়ম প্রমাণিত হলে ইসি সম্পূর্ণ নির্বাচনি এলাকার ফলাফল বাতিল করতে পারবে।

সোমবার সরকার ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধন অধ্যাদেশ-২০২৫’ গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে। এই সংশোধনের ফলে ইসি আরও শক্তিশালী ও কার্যকর ভূমিকা নিতে পারবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নতুনভাবে যুক্ত অনুচ্ছেদ ৯১ অনুযায়ী, অনিয়মের ঘটনায় শুধু কেন্দ্র নয়, পুরো নির্বাচনি এলাকার ভোট বাতিলের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে। এছাড়া, আচরণবিধি ভঙ্গের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে রাজনৈতিক দলকেও জরিমানা করা যাবে।

আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় এখন থেকে নির্বাহী ও বিচারিক হাকিম ছাড়াও ইসির অনুমোদিত কর্মকর্তারা ব্যবস্থা নিতে পারবেন। তাছাড়া, প্রার্থীরা যদি হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেন, তাহলে ভোটের পরেও ইসি আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবে।

সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদনের পর রাষ্ট্রপতির সইয়ের মাধ্যমে অধ্যাদেশটি কার্যকর করা হয়।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো— কোনো নিবন্ধিত দল যদি জোট গঠন করে, তবুও প্রতিটি দলকে নিজস্ব প্রতীকে ভোট করতে হবে। এর ফলে জোটের প্রার্থীরা অন্য দলের প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না। বিএনপি এ বিষয়ে আপত্তি তুললেও জামায়াত ও এনসিপি ২০ ধারার এই বিধান বহাল রাখার দাবি জানায়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সংশোধন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এতে নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1

পুরো আসনের ভোট বাতিলের ক্ষমতা পেল নির্বাচন কমিশন

আপডেট সময় : ০৩:৩২:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

নির্বাচন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে সরকার। আগে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কেবল কোনো কেন্দ্রের ফলাফল বাতিল করতে পারতো, কিন্তু এখন অনিয়ম প্রমাণিত হলে ইসি সম্পূর্ণ নির্বাচনি এলাকার ফলাফল বাতিল করতে পারবে।

সোমবার সরকার ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধন অধ্যাদেশ-২০২৫’ গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে। এই সংশোধনের ফলে ইসি আরও শক্তিশালী ও কার্যকর ভূমিকা নিতে পারবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নতুনভাবে যুক্ত অনুচ্ছেদ ৯১ অনুযায়ী, অনিয়মের ঘটনায় শুধু কেন্দ্র নয়, পুরো নির্বাচনি এলাকার ভোট বাতিলের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে। এছাড়া, আচরণবিধি ভঙ্গের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে রাজনৈতিক দলকেও জরিমানা করা যাবে।

আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় এখন থেকে নির্বাহী ও বিচারিক হাকিম ছাড়াও ইসির অনুমোদিত কর্মকর্তারা ব্যবস্থা নিতে পারবেন। তাছাড়া, প্রার্থীরা যদি হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেন, তাহলে ভোটের পরেও ইসি আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবে।

সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদনের পর রাষ্ট্রপতির সইয়ের মাধ্যমে অধ্যাদেশটি কার্যকর করা হয়।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো— কোনো নিবন্ধিত দল যদি জোট গঠন করে, তবুও প্রতিটি দলকে নিজস্ব প্রতীকে ভোট করতে হবে। এর ফলে জোটের প্রার্থীরা অন্য দলের প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না। বিএনপি এ বিষয়ে আপত্তি তুললেও জামায়াত ও এনসিপি ২০ ধারার এই বিধান বহাল রাখার দাবি জানায়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সংশোধন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এতে নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :