বাংলাদেশ ০৬:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

সরকারের লক্ষ্য উৎসবমুখর নির্বাচন: প্রধান উপদেষ্টা

ইনসাফ বিশ্ব ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:০২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
  • / 109

ছবি: সংগৃহীত

Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নবনিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাতে প্রধান উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূতকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য শুভেচ্ছা জানান এবং আশা প্রকাশ করেন যে, তার মেয়াদে বাংলাদেশ–জার্মানি সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

রাষ্ট্রদূত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের জনগণ এখন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আরও বেশি সম্পৃক্ত হচ্ছে, যা প্রশংসনীয়।

তিনি সরকারের সংস্কার উদ্যোগ, বিশেষ করে জুলাই জাতীয় সনদ-এর প্রশংসা করেন এবং বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোকে একসঙ্গে বসে আলোচনা করতে দেখা এক ইতিবাচক পরিবর্তন।”

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের উদ্যোগ ছিল এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যা ঐক্য ও পরিবর্তনের প্রতীক। এটি নির্বাচনের আগে জনগণের আস্থা বাড়াতে সহায়তা করেছে।”

তিনি আরও জানান, সরকার আসন্ন ফেব্রুয়ারির নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে।

আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা, বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা ইস্যুতেও কথা হয়। জার্মান রাষ্ট্রদূত বলেন, “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জার্মানিতে পড়াশোনার আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।”

প্রধান উপদেষ্টা জার্মানিকে ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে বর্ণনা করে আশা প্রকাশ করেন, নতুন রাষ্ট্রদূত এ সম্পর্ক আরও গভীর করবেন।

অধ্যাপক ইউনূস তরুণ প্রজন্মের শক্তির কথা উল্লেখ করে বলেন, “প্রযুক্তির মাধ্যমে তরুণরা মত প্রকাশে স্বাধীন, তবে ভুয়া তথ্যের ঝুঁকি এখন বড় চ্যালেঞ্জ।”

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1

সরকারের লক্ষ্য উৎসবমুখর নির্বাচন: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৭:০২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

নবনিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাতে প্রধান উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূতকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য শুভেচ্ছা জানান এবং আশা প্রকাশ করেন যে, তার মেয়াদে বাংলাদেশ–জার্মানি সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

রাষ্ট্রদূত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের জনগণ এখন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আরও বেশি সম্পৃক্ত হচ্ছে, যা প্রশংসনীয়।

তিনি সরকারের সংস্কার উদ্যোগ, বিশেষ করে জুলাই জাতীয় সনদ-এর প্রশংসা করেন এবং বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোকে একসঙ্গে বসে আলোচনা করতে দেখা এক ইতিবাচক পরিবর্তন।”

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের উদ্যোগ ছিল এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যা ঐক্য ও পরিবর্তনের প্রতীক। এটি নির্বাচনের আগে জনগণের আস্থা বাড়াতে সহায়তা করেছে।”

তিনি আরও জানান, সরকার আসন্ন ফেব্রুয়ারির নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে।

আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা, বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা ইস্যুতেও কথা হয়। জার্মান রাষ্ট্রদূত বলেন, “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জার্মানিতে পড়াশোনার আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।”

প্রধান উপদেষ্টা জার্মানিকে ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে বর্ণনা করে আশা প্রকাশ করেন, নতুন রাষ্ট্রদূত এ সম্পর্ক আরও গভীর করবেন।

অধ্যাপক ইউনূস তরুণ প্রজন্মের শক্তির কথা উল্লেখ করে বলেন, “প্রযুক্তির মাধ্যমে তরুণরা মত প্রকাশে স্বাধীন, তবে ভুয়া তথ্যের ঝুঁকি এখন বড় চ্যালেঞ্জ।”

সংবাদটি শেয়ার করুন :