বাংলাদেশ ০৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

হাসিনাসহ তিনজনের মানবতাবিরোধী মামলার রায় ১৩ নভেম্বর

স্টাফ রিপোর্টার ইনসাফ বিশ্ব
  • আপডেট সময় : ০৩:২০:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫
  • / 130

ছবি: শেখ হাচিনা

Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিচারকাজ শেষ হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আগামী ১৩ নভেম্বর এই মামলার রায় ঘোষণা করবে।

বৃহস্পতিবার শেষ দিনের যুক্তিতর্ক শেষে ট্রাইব্যুনাল রায়ের তারিখ নির্ধারণ করে।

আসামিদের নাম ও অভিযোগ
এই মামলার অপর দুই আসামি হলেন—সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, যিনি পরে রাজসাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন।

প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান খান বলেন, “গণহত্যার ঘটনাপ্রবাহে শেখ হাসিনার ভূমিকা স্পষ্ট। তার নেতৃত্বে সংঘটিত অপরাধে বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।”

প্রমাণ ও সাক্ষ্য উপস্থাপন
চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম জানান, “বিদেশি সংস্থার যাচাই করা কল রেকর্ড ও সাক্ষ্য প্রমাণই অপরাধের প্রমাণ বহন করে। বিশ্বের যেকোনো আদালতে এটি টিকে থাকবে।”

এই মামলায় শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত ব্যক্তি, চিকিৎসকসহ ৫৪ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের সাক্ষ্যে উঠে এসেছে জুলাই গণহত্যা, গুম, খুন ও নির্যাতনের বিবরণ।

আসামিপক্ষের যুক্তি
রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী আমির হোসেন বলেন, “শেখ হাসিনা পালাননি, বরং তাকে বাধ্য করা হয়েছিল দেশ ছাড়তে।”

বুধবার আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে প্রসিকিউশন খণ্ডন উপস্থাপন করে।

অন্য মামলাগুলোও চলমান
এই মামলার বাইরে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা চলছে—একটি গুম-খুনের ঘটনা, অন্যটি হেফাজতে ইসলামের শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1
Insaf World Banner 2

হাসিনাসহ তিনজনের মানবতাবিরোধী মামলার রায় ১৩ নভেম্বর

আপডেট সময় : ০৩:২০:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিচারকাজ শেষ হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আগামী ১৩ নভেম্বর এই মামলার রায় ঘোষণা করবে।

বৃহস্পতিবার শেষ দিনের যুক্তিতর্ক শেষে ট্রাইব্যুনাল রায়ের তারিখ নির্ধারণ করে।

আসামিদের নাম ও অভিযোগ
এই মামলার অপর দুই আসামি হলেন—সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, যিনি পরে রাজসাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন।

প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান খান বলেন, “গণহত্যার ঘটনাপ্রবাহে শেখ হাসিনার ভূমিকা স্পষ্ট। তার নেতৃত্বে সংঘটিত অপরাধে বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।”

প্রমাণ ও সাক্ষ্য উপস্থাপন
চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম জানান, “বিদেশি সংস্থার যাচাই করা কল রেকর্ড ও সাক্ষ্য প্রমাণই অপরাধের প্রমাণ বহন করে। বিশ্বের যেকোনো আদালতে এটি টিকে থাকবে।”

এই মামলায় শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত ব্যক্তি, চিকিৎসকসহ ৫৪ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের সাক্ষ্যে উঠে এসেছে জুলাই গণহত্যা, গুম, খুন ও নির্যাতনের বিবরণ।

আসামিপক্ষের যুক্তি
রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী আমির হোসেন বলেন, “শেখ হাসিনা পালাননি, বরং তাকে বাধ্য করা হয়েছিল দেশ ছাড়তে।”

বুধবার আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে প্রসিকিউশন খণ্ডন উপস্থাপন করে।

অন্য মামলাগুলোও চলমান
এই মামলার বাইরে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা চলছে—একটি গুম-খুনের ঘটনা, অন্যটি হেফাজতে ইসলামের শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত।

সংবাদটি শেয়ার করুন :