বাংলাদেশ ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

পর্দার আড়ালে নতুন সমীকরণ: বৃহস্পতিবার কি বড় কোনো পরিবর্তন আসছে?

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:১৪:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 11

ছবি: বৈঠকের প্রতীকি ছবি

Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যকার দীর্ঘদিনের অস্থিরতা নিরসনে আবারও কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মধ্যস্থতায় আগামী বৃহস্পতিবার দুই দেশের রাষ্ট্রদূতরা বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। যদিও একে আনুষ্ঠানিক শান্তি আলোচনা বলা হচ্ছে না, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে একে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ‘প্রাথমিক ধাপ’ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

​আলোচনার মূল লক্ষ্য ও সময়সীমা

​এই বৈঠকের প্রধান এজেন্ডা হলো চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি। গত শুক্রবার কার্যকর হওয়া এই সাময়িক যুদ্ধবিরতি আগামী রবিবার শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। আল জাজিরার তথ্যমতে, ওয়াশিংটন চাইছে এই সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই নতুন কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে, যাতে সীমান্ত অঞ্চলে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে না পড়ে।

​হিজবুল্লাহর অনড় অবস্থান

​তবে এই আলোচনাকে খুব একটা ইতিবাচকভাবে দেখছে না হিজবুল্লাহ। তারা এই সরাসরি যোগাযোগকে লেবাননের জন্য “অপমানজনক” বলে মন্তব্য করেছে। তাদের দাবি, ইসরাইল মূলত এই আলোচনার আড়ালে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার জন্য বৈশ্বিক চাপ সৃষ্টি করছে। সংগঠনটির মতে, ইরানসহ আঞ্চলিক শক্তিগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করলে লেবাননের অবস্থান আরও শক্তিশালী হতো।

​লেবানন সরকারের ভূমিকা

​হিজবুল্লাহর বিরোধিতার মুখেও লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন আলোচনার বিষয়ে বেশ তৎপর। তিনি ইতিমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে একজন প্রতিনিধি নিয়োগ করেছেন। প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, জাতীয় স্বার্থে এই আলোচনা পরিচালনা করবে শুধুমাত্র রাষ্ট্র বা সরকারই। অর্থাৎ, কোনো একক গোষ্ঠী নয় বরং প্রশাসনিক মাধ্যমেই সমাধান খোঁজা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1
Insaf World Banner 2

পর্দার আড়ালে নতুন সমীকরণ: বৃহস্পতিবার কি বড় কোনো পরিবর্তন আসছে?

আপডেট সময় : ০২:১৪:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যকার দীর্ঘদিনের অস্থিরতা নিরসনে আবারও কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মধ্যস্থতায় আগামী বৃহস্পতিবার দুই দেশের রাষ্ট্রদূতরা বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। যদিও একে আনুষ্ঠানিক শান্তি আলোচনা বলা হচ্ছে না, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে একে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ‘প্রাথমিক ধাপ’ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

​আলোচনার মূল লক্ষ্য ও সময়সীমা

​এই বৈঠকের প্রধান এজেন্ডা হলো চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি। গত শুক্রবার কার্যকর হওয়া এই সাময়িক যুদ্ধবিরতি আগামী রবিবার শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। আল জাজিরার তথ্যমতে, ওয়াশিংটন চাইছে এই সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই নতুন কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে, যাতে সীমান্ত অঞ্চলে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে না পড়ে।

​হিজবুল্লাহর অনড় অবস্থান

​তবে এই আলোচনাকে খুব একটা ইতিবাচকভাবে দেখছে না হিজবুল্লাহ। তারা এই সরাসরি যোগাযোগকে লেবাননের জন্য “অপমানজনক” বলে মন্তব্য করেছে। তাদের দাবি, ইসরাইল মূলত এই আলোচনার আড়ালে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার জন্য বৈশ্বিক চাপ সৃষ্টি করছে। সংগঠনটির মতে, ইরানসহ আঞ্চলিক শক্তিগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করলে লেবাননের অবস্থান আরও শক্তিশালী হতো।

​লেবানন সরকারের ভূমিকা

​হিজবুল্লাহর বিরোধিতার মুখেও লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন আলোচনার বিষয়ে বেশ তৎপর। তিনি ইতিমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে একজন প্রতিনিধি নিয়োগ করেছেন। প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, জাতীয় স্বার্থে এই আলোচনা পরিচালনা করবে শুধুমাত্র রাষ্ট্র বা সরকারই। অর্থাৎ, কোনো একক গোষ্ঠী নয় বরং প্রশাসনিক মাধ্যমেই সমাধান খোঁজা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :