বাংলাদেশ ১১:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

ইতালিতে যাজকদের যৌন কেলেঙ্কারি, শিকার হাজারো মানুষ

ইনসাফ বিশ্ব ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:২৬:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / 103

ছবি: সংগৃহীত

Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইতালিতে ক্যাথলিক যাজকদের হাতে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন প্রায় ৪ হাজার ৪০০ মানুষ। সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ভয়াবহ এই চিত্র, যা আবারও দেশটির ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ বাড়িয়েছে।

ভুক্তভোগী সংগঠন ‘রেতে ল আবুসো’ জানিয়েছে, ২০২০ সালের পর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই পরিসংখ্যান তৈরি করা হয়েছে। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ফ্রানচেসকো জানার্দি বলেন, তথ্যগুলো সংগৃহীত হয়েছে ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য, বিচার বিভাগীয় নথি এবং গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে।

তবে প্রতিবেদনে এসব নির্যাতনের ঘটনা ঠিক কোন সময় থেকে শুরু হয়েছিল, তা নিশ্চিত করা যায়নি।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নীরবতা:
ইতালির বিসপস কনফারেন্স এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। অথচ ভ্যাটিকানের শিশু সুরক্ষা কমিশন সম্প্রতি জানিয়েছে, ইতালির ২২৬টি ডায়োসিসের মধ্যে মাত্র ৮১টি শিশু সুরক্ষা সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাব দিয়েছে।

ভয়াবহ পরিসংখ্যান:
রেতে ল আবুসোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোট ১,২৫০টি সন্দেহভাজন নির্যাতনের ঘটনা চিহ্নিত হয়েছে। এর মধ্যে ১,১০৬টি ঘটনায় যাজকরা অভিযুক্ত। বাকি ঘটনাগুলোতে সন্ন্যাসিনী, ধর্মীয় শিক্ষক, স্বেচ্ছাসেবক, শিক্ষাবিদ ও স্কাউট সদস্যরা জড়িত।

প্রতিবেদনে মোট ৪,৬২৫ জন ভুক্তভোগীর তথ্য পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ৪,৩৯৫ জন সরাসরি যাজকদের দ্বারা নির্যাতিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি:
ভুক্তভোগীদের সংগঠন ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, ভ্যাটিকান ও ইতালির ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বচ্ছ তদন্তের আওতায় আনা উচিত। অন্যথায় এই ধরনের নির্যাতন আরও বাড়তে পারে বলে তাদের আশঙ্কা।

সূত্র: রয়টার্স

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1
Insaf World Banner 2

ইতালিতে যাজকদের যৌন কেলেঙ্কারি, শিকার হাজারো মানুষ

আপডেট সময় : ০৫:২৬:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

ইতালিতে ক্যাথলিক যাজকদের হাতে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন প্রায় ৪ হাজার ৪০০ মানুষ। সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ভয়াবহ এই চিত্র, যা আবারও দেশটির ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ বাড়িয়েছে।

ভুক্তভোগী সংগঠন ‘রেতে ল আবুসো’ জানিয়েছে, ২০২০ সালের পর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই পরিসংখ্যান তৈরি করা হয়েছে। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ফ্রানচেসকো জানার্দি বলেন, তথ্যগুলো সংগৃহীত হয়েছে ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য, বিচার বিভাগীয় নথি এবং গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে।

তবে প্রতিবেদনে এসব নির্যাতনের ঘটনা ঠিক কোন সময় থেকে শুরু হয়েছিল, তা নিশ্চিত করা যায়নি।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নীরবতা:
ইতালির বিসপস কনফারেন্স এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। অথচ ভ্যাটিকানের শিশু সুরক্ষা কমিশন সম্প্রতি জানিয়েছে, ইতালির ২২৬টি ডায়োসিসের মধ্যে মাত্র ৮১টি শিশু সুরক্ষা সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাব দিয়েছে।

ভয়াবহ পরিসংখ্যান:
রেতে ল আবুসোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোট ১,২৫০টি সন্দেহভাজন নির্যাতনের ঘটনা চিহ্নিত হয়েছে। এর মধ্যে ১,১০৬টি ঘটনায় যাজকরা অভিযুক্ত। বাকি ঘটনাগুলোতে সন্ন্যাসিনী, ধর্মীয় শিক্ষক, স্বেচ্ছাসেবক, শিক্ষাবিদ ও স্কাউট সদস্যরা জড়িত।

প্রতিবেদনে মোট ৪,৬২৫ জন ভুক্তভোগীর তথ্য পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ৪,৩৯৫ জন সরাসরি যাজকদের দ্বারা নির্যাতিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি:
ভুক্তভোগীদের সংগঠন ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, ভ্যাটিকান ও ইতালির ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বচ্ছ তদন্তের আওতায় আনা উচিত। অন্যথায় এই ধরনের নির্যাতন আরও বাড়তে পারে বলে তাদের আশঙ্কা।

সূত্র: রয়টার্স

সংবাদটি শেয়ার করুন :