বাংলাদেশ ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

জুলাই সনদে স্বাক্ষর: নতুন বাংলাদেশের নবযাত্রা — প্রধান উপদেষ্টা

ইনসাফ বিশ্ব ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৪৫:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / 150

ছবি: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করছেন

Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আজ এই জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষরের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশের শুরু হলো। নবযাত্রা শুরু হলো। এই সনদের মাধ্যমে আমরা বর্বরতা থেকে সভ্যতায় এসেছি। এখন এই সভ্যতা কাগজে নয়, কাজে প্রমাণ করতে হবে।

শুক্রবার বিকেলে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এ স্বাক্ষর করেন প্রধান উপদেষ্টা। পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও একে একে সনদে স্বাক্ষর করেন।

ড. ইউনূস বলেন, “ঐকমত্য কমিশন গঠনের সময় মনে হয়েছিল, হয়তো দুই-একটি বিষয়ে দলগুলোকে একমত করানো সম্ভব হবে। কিন্তু রাজনৈতিক দলের বক্তব্য শুনে মনে হতো কেউ কারো কথা শুনবে না। তাই ভয়ভীতির মধ্যেই কাজ শুরু করেছিলাম।”

তিনি আরও বলেন, “প্রফেসর আলী রীয়াজকে দায়িত্ব দিয়েছিলাম। তিনি অত্যন্ত গুণীজন, বুঝে শুনে কাজটি এগিয়ে নিয়েছেন। আশ্চর্যজনকভাবে দেখা গেল, সব রাজনৈতিক দল শুধু আলোচনায় বসেনি, বরং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে গভীর জ্ঞান ও বোঝাপড়ার সঙ্গে আলোচনাও করেছে—এটা না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।”

এদিন বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীতে এই ঐতিহাসিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1

জুলাই সনদে স্বাক্ষর: নতুন বাংলাদেশের নবযাত্রা — প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ১১:৪৫:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আজ এই জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষরের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশের শুরু হলো। নবযাত্রা শুরু হলো। এই সনদের মাধ্যমে আমরা বর্বরতা থেকে সভ্যতায় এসেছি। এখন এই সভ্যতা কাগজে নয়, কাজে প্রমাণ করতে হবে।

শুক্রবার বিকেলে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এ স্বাক্ষর করেন প্রধান উপদেষ্টা। পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও একে একে সনদে স্বাক্ষর করেন।

ড. ইউনূস বলেন, “ঐকমত্য কমিশন গঠনের সময় মনে হয়েছিল, হয়তো দুই-একটি বিষয়ে দলগুলোকে একমত করানো সম্ভব হবে। কিন্তু রাজনৈতিক দলের বক্তব্য শুনে মনে হতো কেউ কারো কথা শুনবে না। তাই ভয়ভীতির মধ্যেই কাজ শুরু করেছিলাম।”

তিনি আরও বলেন, “প্রফেসর আলী রীয়াজকে দায়িত্ব দিয়েছিলাম। তিনি অত্যন্ত গুণীজন, বুঝে শুনে কাজটি এগিয়ে নিয়েছেন। আশ্চর্যজনকভাবে দেখা গেল, সব রাজনৈতিক দল শুধু আলোচনায় বসেনি, বরং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে গভীর জ্ঞান ও বোঝাপড়ার সঙ্গে আলোচনাও করেছে—এটা না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।”

এদিন বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীতে এই ঐতিহাসিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন :