জাতি মূল্যায়ন করবে আমরা কী করতে পেরেছি’: ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ হোসেন
- আপডেট সময় : ১০:১৫:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫
- / 111
অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, “আমরা গত ১৫ মাস ধরে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, আমরা আরও দুই-তিন মাস দায়িত্বে থাকবো। জাতি মূল্যায়ন করবে আমরা কী করতে পেরেছি, আর কী করতে পারিনি।”
শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে দৈনিক নয়াদিগন্তের বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
খালিদ হোসেন বলেন, “আমাকে নিয়ে বলা হচ্ছে, উপদেষ্টারা সেফ এক্সিট চান। কিন্তু আমার কোনো সেফ এক্সিটের প্রয়োজন নেই। আমরা যদি অর্ডিন্যান্স করে দিতে পারি যে বর্তমান উপদেষ্টারা আগামী নির্বাচিত সরকারের টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হবেন না, তাহলে সেটাই সর্বোত্তম হবে।”
তিনি আরও বলেন, “রাজনৈতিক নেতারা প্রধান উপদেষ্টার কাছে বলছেন, কিছু উপদেষ্টা নাকি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। কিন্তু আমি স্পষ্টভাবে বলি, আগামী সরকারে আমাকে যদি আমন্ত্রণ জানায়, তবুও আমি কোনো মন্ত্রিত্ব গ্রহণ করবো না। আমি আমার কাজেই সন্তুষ্ট।”
ধর্ম উপদেষ্টা জানান, তার মন্ত্রণালয় থেকে কোটি কোটি টাকা মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, প্যাগোডা, মন্দির, চার্চ ও শ্মশানে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই তহবিল সরকারি বরাদ্দ থেকে আসে, যার উৎস সোনালী ব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংক। তিনি বলেন, “আমরা শরিয়ত ব্যক্তিগতভাবে পালন করি, কিন্তু রাষ্ট্রটি সেক্যুলার কাঠামোর ওপর চলছে, যা ব্রিটিশ শাসনামল থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে এসেছে।”
তিনি বলেন, “ফেসবুকে কেউ কেউ লিখেছে আমি মারা গেছি—এত সীমা লঙ্ঘন করা ঠিক নয়। আমি জানি, একদিন মারা যাবো, কিন্তু এখনো জীবিত আছি এবং কাজ করছি।”
নিজের সততা সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমি এক টাকার দুর্নীতি করিনি। সাড়ে আট কোটি টাকা হাজিদের ফেরত দিয়েছি। এছাড়া সৌদি আরবে আটকে থাকা ৩৯ কোটি টাকাও দেশে এনে এজেন্সিগুলোর মধ্যে বণ্টন করেছি। যদিও ১৬-১৭ বছরের জঞ্জাল দেড় বছরে পরিষ্কার করা সম্ভব নয়, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।”

























