বিবিসি বাংলার মুখোমুখি সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় তিনি আপসহীন থাকবেন। পানির ন্যায্য হিস্যা এবং সীমান্ত নিরাপত্তায় হবে কঠোর অবস্থান।
সীমান্তে ফেলানীর মতো আর কোনো লাশ নয়: তারেক রহমান
- আপডেট সময় : ১০:৫১:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫
- / 100
দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আলোচনায় এলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি বিবিসি বাংলার সম্পাদক মীর সাব্বির ও সিনিয়র সাংবাদিক কাদির কল্লোলের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে দেশের অন্তর্বর্তী সরকার, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক, সীমান্ত হত্যা ও সংস্কার পরিকল্পনা নিয়ে খোলামেলা বক্তব্য দেন।
সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় ও শেষ পর্বে সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যা এবং ফেলানী হত্যার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান দৃঢ় কণ্ঠে বলেন,
> “অবশ্যই আমি আমার পানির হিস্যা চাই। অবশ্যই আমি দেখতে চাই না যে, আরেক ফেলানী ঝুলে আছে। অবশ্যই আমরা এটা মেনে নেব না।”
তিনি আরও বলেন, “আমি উদাহরণ দিয়েছি বুঝানোর জন্য যে, আমাদের অবস্থান পরিষ্কার—আমরা দেশের ন্যায্য হিস্যা চাই। আমার দেশের মানুষের ওপর অন্যায় হলে সেটা মেনে নেওয়া হবে না।”
তারেক রহমানের বক্তব্যে স্পষ্ট—বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং পানির অধিকার নিয়ে তাঁর অবস্থান হবে নীতিনিষ্ঠ ও আপসহীন।
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বিষয়ে অবস্থান
বিবিসি বাংলার প্রশ্নে, শেখ হাসিনার দিল্লি সফরের পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের শীতলতা প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন,
> “যদি তারা (ভারত) স্বৈরাচারকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের মানুষের বিরাগভাজন হয়, সেটা তাদের বিষয়। বাংলাদেশের মানুষ যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটার প্রতি আমিও শ্রদ্ধাশীল। আমাকে আমার দেশের মানুষের সঙ্গে থাকতে হবে।”
তার বক্তব্যে বোঝা যায়, বিএনপির নেতৃত্বে নতুন সরকার এলে পররাষ্ট্রনীতি হবে জনগণের স্বার্থনির্ভর ও মর্যাদাপূর্ণ।
তারেক রহমানের মূল বার্তা
🔹 সীমান্তে কোনো ফেলানীর মতো লাশ আর দেখা যাবে না
🔹 দেশের পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে হবে
🔹 পররাষ্ট্রনীতি হবে জনগণের পক্ষে ও আত্মমর্যাদাসম্পন্ন
🔹 স্বৈরাচারী শক্তিকে আশ্রয় দিলে সম্পর্ক শীতল থাকবে
দীর্ঘ সময় পর গণমাধ্যমে মুখোমুখি হয়ে তারেক রহমানের এই সাক্ষাৎকার শুধু রাজনৈতিক অঙ্গনেই নয়, সাধারণ মানুষের মধ্যেও নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।


























