বাংলাদেশ ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

মরদেহ ডিপ ফ্রিজে রাখার ঘটনা নতুন মোড়

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:২০:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৪
  • / 269

ছবি: ইনসাফ বিশ্ব

Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় গৃহবধূ উম্মে সালমা হত্যার পর মরদেহ ডিপ ফ্রিজে রাখার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ছেলে সাদ ইবনে আজিজুরকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শনিবার (১৬ নভেম্বর) বিকেলে তাকে বগুড়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পুলিশ পরিদর্শক মোসাদ্দেক হোসেন জানান, রিমান্ড শেষে সাদকে আদালতে হাজির করা হলেও তার পক্ষে জামিনের জন্য কেউ আবেদন করেনি।

মামলায় নতুন মোড়

প্রথমে উম্মে সালমাকে হত্যার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে উঠলেও পরে ঘটনার মোড় পাল্টায়। পুলিশ জানায়, বাসার ভাড়াটিয়া মাবিয়া আক্তার এবং তার সহযোগীরা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত।

দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশ জানায়, বাসা থেকে চুরি হওয়া মোবাইল ও ওয়াইফাই রাউটারের সূত্র ধরে মাবিয়া আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন, চার মাস আগে উম্মে সালমার বাসা ভাড়া নিয়ে সেখানে মাদক ও অনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে উম্মে সালমা তাকে বাসা ছাড়তে বলেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মাবিয়া তার দুই সহযোগী মুসলিম ও সুমন চন্দ্র সরকারকে নিয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটান।

হত্যাকাণ্ডের বিবরণ

মাবিয়া ও তার সহযোগীরা উম্মে সালমাকে হত্যা করে মরদেহ ডিপ ফ্রিজে রেখে পালিয়ে যান। গত ১০ নভেম্বর বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়ক সংলগ্ন ‘আজিজয়া মঞ্জিল’ বাড়িতে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।

প্রথমে র‌্যাব দাবি করেছিল, হাত খরচের টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে ছোট ছেলে সাদ মাকে হত্যা করেছে। কিন্তু পরবর্তী তদন্তে ভাড়াটিয়া মাবিয়ার অপরাধ জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্কতা

এই ঘটনা তদন্তে পুলিশ ও র‌্যাবের ভূমিকা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এলাকাবাসী সঠিক তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আরো পড়ুন

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1
Insaf World Banner 2

মরদেহ ডিপ ফ্রিজে রাখার ঘটনা নতুন মোড়

আপডেট সময় : ০৬:২০:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৪

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় গৃহবধূ উম্মে সালমা হত্যার পর মরদেহ ডিপ ফ্রিজে রাখার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ছেলে সাদ ইবনে আজিজুরকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শনিবার (১৬ নভেম্বর) বিকেলে তাকে বগুড়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পুলিশ পরিদর্শক মোসাদ্দেক হোসেন জানান, রিমান্ড শেষে সাদকে আদালতে হাজির করা হলেও তার পক্ষে জামিনের জন্য কেউ আবেদন করেনি।

মামলায় নতুন মোড়

প্রথমে উম্মে সালমাকে হত্যার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে উঠলেও পরে ঘটনার মোড় পাল্টায়। পুলিশ জানায়, বাসার ভাড়াটিয়া মাবিয়া আক্তার এবং তার সহযোগীরা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত।

দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশ জানায়, বাসা থেকে চুরি হওয়া মোবাইল ও ওয়াইফাই রাউটারের সূত্র ধরে মাবিয়া আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন, চার মাস আগে উম্মে সালমার বাসা ভাড়া নিয়ে সেখানে মাদক ও অনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে উম্মে সালমা তাকে বাসা ছাড়তে বলেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মাবিয়া তার দুই সহযোগী মুসলিম ও সুমন চন্দ্র সরকারকে নিয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটান।

হত্যাকাণ্ডের বিবরণ

মাবিয়া ও তার সহযোগীরা উম্মে সালমাকে হত্যা করে মরদেহ ডিপ ফ্রিজে রেখে পালিয়ে যান। গত ১০ নভেম্বর বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়ক সংলগ্ন ‘আজিজয়া মঞ্জিল’ বাড়িতে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।

প্রথমে র‌্যাব দাবি করেছিল, হাত খরচের টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে ছোট ছেলে সাদ মাকে হত্যা করেছে। কিন্তু পরবর্তী তদন্তে ভাড়াটিয়া মাবিয়ার অপরাধ জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্কতা

এই ঘটনা তদন্তে পুলিশ ও র‌্যাবের ভূমিকা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এলাকাবাসী সঠিক তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আরো পড়ুন

সংবাদটি শেয়ার করুন :