বাংলাদেশ ০৭:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মাননা প্রত্যাখ্যান করে

প্রশংসায় ভাসলেন তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম

রংপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:২২:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৪
  • / 283
Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দেওয়া সম্মাননা প্রত্যাখ্যান করে প্রশংসার জোয়ারে ভাসছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় অভিযুক্ত দুই শিক্ষককে একই মঞ্চে সম্মাননা দেওয়ায় এ সম্মাননা প্রত্যাখ্যান করেন।

শনিবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাহিদ ইসলাম। বক্তব্য শেষে এক শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি কমলেশ রায় এবং কলা অনুষদের ডিন শফিক আশরাফকে সম্মাননা দেওয়ার বিরোধিতা করেন।

শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ ও নাহিদ ইসলামের প্রতিক্রিয়া

প্রতিবাদকারী শিক্ষার্থী দাবি করেন, কমলেশ রায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলাকারীদের উসকানিদাতা এবং শফিক আশরাফ আবু সাঈদের হত্যার পর বিতর্কিত কলাম লিখেছেন। শিক্ষার্থী বলেন, “যারা স্বৈরাচারের সহায়তা করেছেন, তাদের সম্মাননা দেওয়ার অর্থ হলো শহীদ আবু সাঈদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করা।”

এ প্রতিবাদের পরপরই নাহিদ ইসলাম ঘোষণা দেন যে, তিনি এই সম্মাননা গ্রহণ করবেন না। তিনি বলেন, “আপনাদের অভিযোগ আমি আগে জানতাম না। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্যকে আমি অনুরোধ করবো যেন তিনি এই অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেন। ফ্যাসিবাদ-মুক্ত বেরোবিতে এসে যেদিন আপনাদের দাবি পূর্ণ করতে পারবো, সেদিন সম্মাননা গ্রহণ করবো।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসা

নাহিদ ইসলামের এই সাহসী পদক্ষেপ সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে। অসংখ্য মানুষ তাঁর নৈতিক অবস্থান এবং শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়ার জন্য তাঁকে প্রশংসায় ভাসায়। অনেকেই তাঁর প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, একজন তথ্য উপদেষ্টা হিসেবে তিনি সঠিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

উপসংহার

তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের সম্মাননা প্রত্যাখ্যান ও শিক্ষার্থীদের ন্যায়সঙ্গত দাবির প্রতি তাঁর সমর্থন আবারও প্রমাণ করে যে, সত্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক নেতৃত্বের প্রয়োজন। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আশা করছেন, তাঁদের ন্যায্য দাবি শিগগিরই পূর্ণ হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের দাবির গুরুত্ব বুঝে ব্যবস্থা নেবে।


 


 

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1
Insaf World Banner 2

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মাননা প্রত্যাখ্যান করে

প্রশংসায় ভাসলেন তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম

আপডেট সময় : ১১:২২:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৪

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দেওয়া সম্মাননা প্রত্যাখ্যান করে প্রশংসার জোয়ারে ভাসছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় অভিযুক্ত দুই শিক্ষককে একই মঞ্চে সম্মাননা দেওয়ায় এ সম্মাননা প্রত্যাখ্যান করেন।

শনিবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাহিদ ইসলাম। বক্তব্য শেষে এক শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি কমলেশ রায় এবং কলা অনুষদের ডিন শফিক আশরাফকে সম্মাননা দেওয়ার বিরোধিতা করেন।

শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ ও নাহিদ ইসলামের প্রতিক্রিয়া

প্রতিবাদকারী শিক্ষার্থী দাবি করেন, কমলেশ রায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলাকারীদের উসকানিদাতা এবং শফিক আশরাফ আবু সাঈদের হত্যার পর বিতর্কিত কলাম লিখেছেন। শিক্ষার্থী বলেন, “যারা স্বৈরাচারের সহায়তা করেছেন, তাদের সম্মাননা দেওয়ার অর্থ হলো শহীদ আবু সাঈদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করা।”

এ প্রতিবাদের পরপরই নাহিদ ইসলাম ঘোষণা দেন যে, তিনি এই সম্মাননা গ্রহণ করবেন না। তিনি বলেন, “আপনাদের অভিযোগ আমি আগে জানতাম না। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্যকে আমি অনুরোধ করবো যেন তিনি এই অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেন। ফ্যাসিবাদ-মুক্ত বেরোবিতে এসে যেদিন আপনাদের দাবি পূর্ণ করতে পারবো, সেদিন সম্মাননা গ্রহণ করবো।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসা

নাহিদ ইসলামের এই সাহসী পদক্ষেপ সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে। অসংখ্য মানুষ তাঁর নৈতিক অবস্থান এবং শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়ার জন্য তাঁকে প্রশংসায় ভাসায়। অনেকেই তাঁর প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, একজন তথ্য উপদেষ্টা হিসেবে তিনি সঠিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

উপসংহার

তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের সম্মাননা প্রত্যাখ্যান ও শিক্ষার্থীদের ন্যায়সঙ্গত দাবির প্রতি তাঁর সমর্থন আবারও প্রমাণ করে যে, সত্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক নেতৃত্বের প্রয়োজন। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আশা করছেন, তাঁদের ন্যায্য দাবি শিগগিরই পূর্ণ হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের দাবির গুরুত্ব বুঝে ব্যবস্থা নেবে।


 


 

সংবাদটি শেয়ার করুন :