বাংলাদেশের জন্য বিশ্বব্যাংকের সহায়তা: কী প্রয়োজন?
- আপডেট সময় : ১০:০১:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৪
- / 225
বিশ্বব্যাংককে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় অঙ্কের অর্থ সহায়তা চেয়েছে। তবে এই চাহিদা শুনে বিশ্বব্যাংক অবাক হয়নি, বরং তারা জানতে চেয়েছে বাংলাদেশের প্রয়োজন কী। বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের কৌশল ও পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে, এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়ে আলোচনা চলছে।
কী সহায়তা চাওয়া হয়েছে?
বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের কাছে আর্থিক খাত উন্নয়ন, কারিগরি সহায়তা, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা, ব্যাংক সংস্কার, এবং ব্যক্তিখাতের উন্নয়নে সহায়তা চেয়েছে। টেকসই উন্নয়নের জন্যও অর্থ সহায়তা চাওয়া হয়েছে। সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, বাংলাদেশ ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে এবং নতুন বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে সবাই সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।
ঋণ পরিশোধে সফলতা
ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত সফল। আইএমএফ বাংলাদেশকে ধন্যবাদ দিয়েছে ঋণ পরিশোধের বিষয়ে। তবে কতটুকু ঋণ সহায়তা পাওয়া যাবে, তা বিশ্বব্যাংকের বোর্ডের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে।
জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস
আইএমএফ চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৪.৫ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও সাম্প্রতিক বন্যার কারণে প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমেছে বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক। তবে বাংলাদেশ সরকার এই অধোগতি নিয়ে চিন্তিত নয় এবং উন্নতির আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
মূল্যস্ফীতি নিয়ে পূর্বাভাস
আইএমএফ মনে করছে চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি বেড়ে ১০.৭ শতাংশে দাঁড়াতে পারে, যদিও বিশ্বব্যাংক এর আগে কমার পূর্বাভাস দিয়েছিল। খাদ্যের উচ্চমূল্য ও সরবরাহ সংকটের কারণে মূল্যস্ফীতি দীর্ঘমেয়াদী হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-এর সমর্থন
আইএমএফ বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতি ও মানব উন্নয়নের প্রশংসা করেছে। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীরা বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং সংস্কার উদ্যোগে সহায়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।























