বাংলাদেশ ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

​মার্কিন অবরোধে ফাটল? কড়া নজরদারির মাঝেই সমুদ্র পাড়ি দিচ্ছে ইরানি তেল

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / 0

ছবি: সংগৃহীত

Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর নির্দেশনায় হরমুজ প্রণালি ও পারস্য উপসাগরে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম) কঠোর নৌ-অবরোধ জারি করলেও তা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ইসলামবাদে দুই দেশের প্রতিনিধিদের সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার পর ইরানকে তেল রপ্তানি থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করার যে লক্ষ্য ওয়াশিংটন নিয়েছিল, তার কার্যকারিতা নিয়ে এখন খোদ আন্তর্জাতিক মহলেই প্রশ্ন উঠছে।

অবরোধের তোয়াক্কা না করেই তেল রপ্তানি

যুক্তরাজ্যভিত্তিক জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘ভোরটেক্সা’র সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যানে চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে। তাদের মতে, মার্কিন নৌ-অবরোধের প্রথম ১০ দিনেই ইরান প্রায় ১০ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেল তেল পারস্য উপসাগর দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠাতে সক্ষম হয়েছে। সেন্টকোমের কড়া প্রহরার মধ্যেও এই বিপুল পরিমাণ জ্বালানি রপ্তানি তেহরানের কৌশলগত সক্ষমতার জানান দিচ্ছে।

নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী জাহাজের আনাগোনা

সংবাদ সংস্থা এপির বরাত দিয়ে ভোরটেক্সা জানিয়েছে, গত ১৩ এপ্রিল থেকে সোমবার পর্যন্ত এক সপ্তাহের মধ্যে মোট ৩৪টি নিষেধাজ্ঞাভুক্ত ও ইরান-সংশ্লিষ্ট জাহাজ এই স্পর্শকাতর জলসীমায় যাতায়াত করেছে। এর মধ্যে ১৯টি জাহাজ উপসাগর ছেড়ে বেরিয়ে গেছে এবং ১৫টি জাহাজ ভেতরে প্রবেশ করেছে। পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অন্তত ৬টি বড় চালানে এই ১০ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেল তেল দেশের বাইরে পাঠানো হয়েছে।

ক্রেতার খোঁজে রহস্য ও কড়া হুঁশিয়ারি

এই বিপুল পরিমাণ তেল ঠিক কারা কিনছে বা গন্তব্য কোথায়, তা নিয়ে এখনো রহস্য কাটেনি। তবে মার্কিন প্রশাসন এই বিষয়ে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে স্কট বেসেন্ট এক বার্তায় সতর্ক করে বলেছেন, অবরোধ চলাকালীন কোনো দেশ যদি ইরানের কাছ থেকে তেল কেনে এবং তার প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে সেই দেশের ওপরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে যুক্তরাষ্ট্র।

তথ্যসূত্র: এপি

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1
Insaf World Banner 2

​মার্কিন অবরোধে ফাটল? কড়া নজরদারির মাঝেই সমুদ্র পাড়ি দিচ্ছে ইরানি তেল

আপডেট সময় : ০৬:৫৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর নির্দেশনায় হরমুজ প্রণালি ও পারস্য উপসাগরে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম) কঠোর নৌ-অবরোধ জারি করলেও তা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ইসলামবাদে দুই দেশের প্রতিনিধিদের সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার পর ইরানকে তেল রপ্তানি থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করার যে লক্ষ্য ওয়াশিংটন নিয়েছিল, তার কার্যকারিতা নিয়ে এখন খোদ আন্তর্জাতিক মহলেই প্রশ্ন উঠছে।

অবরোধের তোয়াক্কা না করেই তেল রপ্তানি

যুক্তরাজ্যভিত্তিক জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘ভোরটেক্সা’র সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যানে চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে। তাদের মতে, মার্কিন নৌ-অবরোধের প্রথম ১০ দিনেই ইরান প্রায় ১০ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেল তেল পারস্য উপসাগর দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠাতে সক্ষম হয়েছে। সেন্টকোমের কড়া প্রহরার মধ্যেও এই বিপুল পরিমাণ জ্বালানি রপ্তানি তেহরানের কৌশলগত সক্ষমতার জানান দিচ্ছে।

নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী জাহাজের আনাগোনা

সংবাদ সংস্থা এপির বরাত দিয়ে ভোরটেক্সা জানিয়েছে, গত ১৩ এপ্রিল থেকে সোমবার পর্যন্ত এক সপ্তাহের মধ্যে মোট ৩৪টি নিষেধাজ্ঞাভুক্ত ও ইরান-সংশ্লিষ্ট জাহাজ এই স্পর্শকাতর জলসীমায় যাতায়াত করেছে। এর মধ্যে ১৯টি জাহাজ উপসাগর ছেড়ে বেরিয়ে গেছে এবং ১৫টি জাহাজ ভেতরে প্রবেশ করেছে। পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অন্তত ৬টি বড় চালানে এই ১০ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেল তেল দেশের বাইরে পাঠানো হয়েছে।

ক্রেতার খোঁজে রহস্য ও কড়া হুঁশিয়ারি

এই বিপুল পরিমাণ তেল ঠিক কারা কিনছে বা গন্তব্য কোথায়, তা নিয়ে এখনো রহস্য কাটেনি। তবে মার্কিন প্রশাসন এই বিষয়ে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে স্কট বেসেন্ট এক বার্তায় সতর্ক করে বলেছেন, অবরোধ চলাকালীন কোনো দেশ যদি ইরানের কাছ থেকে তেল কেনে এবং তার প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে সেই দেশের ওপরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে যুক্তরাষ্ট্র।

তথ্যসূত্র: এপি

সংবাদটি শেয়ার করুন :