বাংলাদেশ ০৬:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

জাগপার ১২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণার সভায় দলীয় মুখপাত্রের হুঁশিয়ারি, ইউনূসের মন্তব্যেরও কড়া সমালোচনা

পিআর পদ্ধতি না বুঝলেও বিএনপিকেই একদিন এর দাবি তুলতে হবে: রাশেদ প্রধান

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:২১:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
  • / 166

ছবি: সংগৃহীত

Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-এর সহ-সভাপতি এবং দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, ইতিহাস আবারও তার পথ ধরছে—একসময় তত্ত্বাবধায়ক সরকার বুঝতে না চাওয়া বিএনপির মতোই পিআর পদ্ধতি (Proportional Representation) নিয়ে ক্রমাগত নেতিবাচক মন্তব্য করা দলটিকেও এক দিন এই পদ্ধতির নির্বাচনের দাবি নিয়ে আন্দোলনে নামতে হবে। তিনি মনে করেন, যারা নিজেদের ক্ষমতা লাভের জন্য ‘জুলাই সনদে’ (সম্ভবত সংবিধান বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ দলিলের কথা বোঝানো হচ্ছে) নোট অফ

ডিসেন্ট দিয়েছে, তাদের হাত দিয়ে দেশে কোনো সত্যিকারের সংস্কার হবে না; বরং পুরনো ব্যবস্থাই নতুন মোড়কে ফিরে আসবে।

বুধবার সকালে জাগপার পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংগঠনিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। এই সভাটি ছিল জাগপার পক্ষ থেকে ঘোষিত ৭ দফা দাবি আদায়ে ১২ দিনের কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে আয়োজিত।

পিআর পদ্ধতি এবং রাজনীতিবিদদের ‘অঙ্কজ্ঞান’

জাগপা মুখপাত্র সম্প্রতি নোবেলজয়ী প্রফেসর ইউনূস-এর একটি মন্তব্যেরও কড়া সমালোচনা করেন। বিদেশে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রফেসর ইউনূস নাকি বলেছেন, “আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করিনি, শুধু তাদের কার্যক্রম স্থগিত করেছি। দল হিসেবে তারা বৈধ, যেকোনো সময় তাদের কার্যক্রম সচল করা যেতে পারে।” রাশেদ প্রধান এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, “হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে ক্ষমতার মসনদে বসা ইউনূস সাহেবের কোনো অধিকার নাই সন্ত্রাসী সংগঠন আওয়ামী লীগকে বৈধতা দেওয়ার।” তাঁর দাবি খুব পরিষ্কার— আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, ১৪ দলের অপরাজনীতিকে অবশ্যই নিষিদ্ধ করতে হবে। এর পাশাপাশি, দেশের রাজনীতিতে হিন্দুস্তানি আধিপত্যবাদ ও আগ্রাসন রুখে দেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

উক্ত সাংগঠনিক সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাগপার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মো. সফিকুল ইসলাম, হাজী মো. হাসমত উল্লাহ, ঢাকা মহানগর আহ্বায়ক শ্যামল চন্দ্র সরকার-সহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতৃবৃন্দ।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1
Insaf World Banner 2

জাগপার ১২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণার সভায় দলীয় মুখপাত্রের হুঁশিয়ারি, ইউনূসের মন্তব্যেরও কড়া সমালোচনা

পিআর পদ্ধতি না বুঝলেও বিএনপিকেই একদিন এর দাবি তুলতে হবে: রাশেদ প্রধান

আপডেট সময় : ০৭:২১:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-এর সহ-সভাপতি এবং দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, ইতিহাস আবারও তার পথ ধরছে—একসময় তত্ত্বাবধায়ক সরকার বুঝতে না চাওয়া বিএনপির মতোই পিআর পদ্ধতি (Proportional Representation) নিয়ে ক্রমাগত নেতিবাচক মন্তব্য করা দলটিকেও এক দিন এই পদ্ধতির নির্বাচনের দাবি নিয়ে আন্দোলনে নামতে হবে। তিনি মনে করেন, যারা নিজেদের ক্ষমতা লাভের জন্য ‘জুলাই সনদে’ (সম্ভবত সংবিধান বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ দলিলের কথা বোঝানো হচ্ছে) নোট অফ

ডিসেন্ট দিয়েছে, তাদের হাত দিয়ে দেশে কোনো সত্যিকারের সংস্কার হবে না; বরং পুরনো ব্যবস্থাই নতুন মোড়কে ফিরে আসবে।

বুধবার সকালে জাগপার পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংগঠনিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। এই সভাটি ছিল জাগপার পক্ষ থেকে ঘোষিত ৭ দফা দাবি আদায়ে ১২ দিনের কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে আয়োজিত।

পিআর পদ্ধতি এবং রাজনীতিবিদদের ‘অঙ্কজ্ঞান’

জাগপা মুখপাত্র সম্প্রতি নোবেলজয়ী প্রফেসর ইউনূস-এর একটি মন্তব্যেরও কড়া সমালোচনা করেন। বিদেশে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রফেসর ইউনূস নাকি বলেছেন, “আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করিনি, শুধু তাদের কার্যক্রম স্থগিত করেছি। দল হিসেবে তারা বৈধ, যেকোনো সময় তাদের কার্যক্রম সচল করা যেতে পারে।” রাশেদ প্রধান এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, “হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে ক্ষমতার মসনদে বসা ইউনূস সাহেবের কোনো অধিকার নাই সন্ত্রাসী সংগঠন আওয়ামী লীগকে বৈধতা দেওয়ার।” তাঁর দাবি খুব পরিষ্কার— আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, ১৪ দলের অপরাজনীতিকে অবশ্যই নিষিদ্ধ করতে হবে। এর পাশাপাশি, দেশের রাজনীতিতে হিন্দুস্তানি আধিপত্যবাদ ও আগ্রাসন রুখে দেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

উক্ত সাংগঠনিক সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাগপার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মো. সফিকুল ইসলাম, হাজী মো. হাসমত উল্লাহ, ঢাকা মহানগর আহ্বায়ক শ্যামল চন্দ্র সরকার-সহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতৃবৃন্দ।

সংবাদটি শেয়ার করুন :