বাংলাদেশ ১১:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Insaf World Banner

জয়পুরহাটের দুইটি আসনে বিএনপির প্রার্থী মাসুদ রানা ও আব্দুল বারি

মো: সুমন মন্ডল, জয়পুরহাট প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৯:০৭:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
  • / 164

ছবি: আব্দুল বারী ও মাসুদ রানা

Insaf World Banner
"ইনসাফ বিশ্ব" পত্রিকার নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জয়পুরহাট জেলার দুটি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। এতে জয়পুরহাট-১ আসনে (জয়পুরহাট সদর ও পাঁচবিবি) মনোনয়ন পেয়েছেন মাসুদ রানা প্রধান এবং জয়পুরহাট-২ আসনে (কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর) মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক সচিব ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) আব্দুল বারি।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ যাচাই-বাছাই ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতাদের মতামতের ভিত্তিতে এই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই দুই আসনের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

জয়পুরহাট-১ আসনে মনোনয়ন পাওয়া মাসুদ রানা প্রধান স্থানীয়ভাবে বিএনপির একজন নিবেদিতপ্রাণ ও জনপ্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি দীর্ঘদিন ধরে দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন এবং মাঠ পর্যায়ে তার শক্তিশালী সাংগঠনিক ভূমিকা রয়েছে। মনোনয়ন পাওয়ার পর তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছেন এবং ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করছেন।

অন্যদিকে জয়পুরহাট-২ আসনে মনোনয়ন পাওয়া সাবেক সচিব ও ডিসি আব্দুল বারি একজন অভিজ্ঞ প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে সুপরিচিত। সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন এবং দলে সক্রিয়ভাবে ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার মনোনয়ন পাওয়ায় প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার সমন্বয়ে এলাকায় নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকে দুই আসনেই নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন প্রার্থীরা। পোস্টার, ব্যানার, গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভার মাধ্যমে তারা জনগণের সমর্থন অর্জনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় নেতারা আশা করছেন, জনগণের ভালোবাসা ও আস্থার মাধ্যমে তারা আগামী নির্বাচনে বিজয় ছিনিয়ে আনতে পারবেন।

এদিকে বিএনপির এই মনোনয়ন ঘোষণাকে কেন্দ্র করে জয়পুরহাটে রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়ে গেছে। আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও অন্যান্য দলও প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। ফলে জেলার দুইটি আসনেই আগামী নির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
Insaf World Banner 1
Insaf World Banner 2

জয়পুরহাটের দুইটি আসনে বিএনপির প্রার্থী মাসুদ রানা ও আব্দুল বারি

আপডেট সময় : ০৯:০৭:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জয়পুরহাট জেলার দুটি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। এতে জয়পুরহাট-১ আসনে (জয়পুরহাট সদর ও পাঁচবিবি) মনোনয়ন পেয়েছেন মাসুদ রানা প্রধান এবং জয়পুরহাট-২ আসনে (কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর) মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক সচিব ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) আব্দুল বারি।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ যাচাই-বাছাই ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতাদের মতামতের ভিত্তিতে এই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই দুই আসনের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

জয়পুরহাট-১ আসনে মনোনয়ন পাওয়া মাসুদ রানা প্রধান স্থানীয়ভাবে বিএনপির একজন নিবেদিতপ্রাণ ও জনপ্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি দীর্ঘদিন ধরে দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন এবং মাঠ পর্যায়ে তার শক্তিশালী সাংগঠনিক ভূমিকা রয়েছে। মনোনয়ন পাওয়ার পর তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছেন এবং ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করছেন।

অন্যদিকে জয়পুরহাট-২ আসনে মনোনয়ন পাওয়া সাবেক সচিব ও ডিসি আব্দুল বারি একজন অভিজ্ঞ প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে সুপরিচিত। সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন এবং দলে সক্রিয়ভাবে ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার মনোনয়ন পাওয়ায় প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার সমন্বয়ে এলাকায় নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকে দুই আসনেই নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন প্রার্থীরা। পোস্টার, ব্যানার, গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভার মাধ্যমে তারা জনগণের সমর্থন অর্জনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় নেতারা আশা করছেন, জনগণের ভালোবাসা ও আস্থার মাধ্যমে তারা আগামী নির্বাচনে বিজয় ছিনিয়ে আনতে পারবেন।

এদিকে বিএনপির এই মনোনয়ন ঘোষণাকে কেন্দ্র করে জয়পুরহাটে রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়ে গেছে। আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও অন্যান্য দলও প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। ফলে জেলার দুইটি আসনেই আগামী নির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :